ছাগলনাইয়াতে ভাতিজী ধর্ষণের অভিযোগে চাচা গ্রেফতার


সাখাওয়াত হোসেন ভূঞাঁ, ছাগলনাইয়া উপজেলা প্রতিনিধি:
এইবার আপন চাচা কর্তৃক ভাতিজী (৪ বছর বয়সী) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের আলোকে ধর্ষক চাচা মোঃ ইমন ফারুক বাদশা (২০)কে আটক করেছে ছাগলনাইয়া থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে ৯ অক্টোবর ছাগলনাইয়া উপজেলার মহামায়া ইউনিয়নের উত্তর যশপুর গ্রামে।

জানা যায়, আপন চাচা মোঃ ইমন ফারুক বাদশা শিশু ভিকটিমকে চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলিয়া নিজের ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এইভাবে ছাগলনাইয়া থানায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করলে ছাগলনাইয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ ধর্ষককে পৌরসভার বাঁশপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ব্যাপারে ছাগলনাইয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ জানান, ধর্ষককে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ভিকটিমকে চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ধর্ষক মোঃ ইমন ফারুক বাদশা (২০) ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার মহামায়া ইউনিয়নের উত্তর যশপুর গ্রামের রবিউল হক কন্ট্রাকটর বাড়ীর মৃত রবিউল হক কন্ট্রাক্টর ও কমলা আক্তার সন্তান।

এই ব্যাপারে ছাগলনাইয়া থানার এফবি প্রেইজে একটি স্ট্যাস্টাস দেওয়া হয়, স্ট্যাস্টাসটি হুবহু তুলে ধরা হলোঃ

চাচা কর্তৃক ০৪ বছরের ভাতিজী ধর্ষন মামলার আসামী গ্রেফতার।

ফেনী জেলার মাননীয় সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব খোন্দকার নূরুন্নবী বিপিএম, পিপিএম মহোদয়ের বিশেষ দিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) জনাব মাঈনুল ইসলাম, পিপিএম (বার) এর এবং সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার, ছাগলনাইয়া সার্কেল, জনাব নিশান চাকমা এর তত্ত্বাবধানে ছাগলনাইয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ এর নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান, পিপিএম, এসআই মোঃ নাঈম উদ্দিন, এসআই মোঃ জাহাঙ্গীর দর্জি এর সহায়তায় ধর্ষনকারী আসামী মোঃ ইমন ফারুক বাদশা (২০), পিতা- মৃত রবিউল হক কন্ট্রাক্টর, মাতা- কমলা আক্তার, গ্রাম- উত্তর যশপুর (রবিউল হক কন্ট্রাকটর বাড়ী) , থানা- ছাগলনাইয়া, জেলা- ফেনীকে ছাগলনাইয়া থানাধীন বাঁশপাড়া এলাকা হইতে অদ্য ০৯/১০/২০২০খ্রিঃ তারিখ গ্রেফতার করা হয়। বর্নিত আসামী মোঃ ইমন ফারুক বাদশা শিশু ভিকটিমকে চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলিয়া ধর্ষন করে।

দীঘিনালায় ধর্ষনের বিরুদ্ধে মৌন পদযাত্রা ও মানববন্ধন

ভেঙ্গে দাও নরপিশাচদের কলো হাত, ঘর থেকেই শুরু হোক প্রতিবাদ বিষয়কে ধারন করে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় ধর্ষনের বিরুদ্ধে মৌন পদযাত্রা ও মানববন্দন কর্মসূচী পালন করেছেন সর্বস্থরের জনসাধারণ।

৮ অক্টোবর(বৃহস্পতিবার) দীঘিনালা উপজেলার সর্বস্তরের জন সাধারন ব্যানারে সকাল ১০টায় ধর্ষনের বিরুদ্ধে মৌন পদযাত্রা ও মানববন্দন বের করা হয়।

ধর্ষনের বিরুদ্ধে মৌন পদযাত্রা ও মানববন্দন বের হয়ে পদযাত্রাটি উপজেলার কম্পলেক্স প্রদক্ষিণ শেষে দীঘিলালা সরকারি ডিগ্রী কলেজে সামনে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে মানববন্দন করে। মানবধীকার কর্মী মোঃ রাফি পাটোয়ারী এর সঞ্চালনায় মানববন্দন এ সভাপতিত্ব করেন দীঘিনালা দুনীতি দমন কমিটির সদস্য প্রবীর চন্দ্র নাথ সুমন। এতে বক্তব্য রাখেন, দীঘিনালা সরকারি ডিগ্রী কলেজ ছাত্রী অনুশ্রী চাকমা,খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মো আইয়ুব আলী,দীঘিনালা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মো সোহানুর, দীঘিনালা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড এর সাধারন সম্পাদক মো কামরুজ্জামান সুমন প্রমূখ।

মানববন্দনে বক্তরা বলেন, বর্তমানে ধর্ষন ও নির্যাতন একটি সামাজিক ব্যাধিতে পরিনত হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন আইন সংশোধন করে ধর্ষণকারীকে সর্বচ্চো শাস্তি ফাসির দাবী করেন।

আর্থিক সচ্ছলতায় সিআরসি’র ফুড ভ্যান

তানভীর সিদ্দিক টিপু: সমাজে শিশুদের অধিকার নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করে যাচ্ছে সামাজিক সংগঠন কাম ফর রোড চাইল্ড (সিআরসি)।

আজ (বৃহস্পতিবার )বিকেল চারটায় খুলনার পিটিআই মোড়স্থ সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মোহাম্মদ ইব্রাহিম নামে এক অসচ্ছল ব্যক্তিকে একটি ফুড ভ্যান দিয়েছে তারা।‘ইউএন হ্যাবিট্যাট’ নামের একটি সংগঠনের সহায়তায় ফুড ভ্যানটি দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিআরসির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ রাসেল আহমেদ রাজু বলেন,‘আজ আমরা একটি অসহায় পরিবারকে সচ্ছল করার জন্য একটি ফুড ভ্যান হস্তান্তর করতে সক্ষম হলাম। সামনে আমরা আরও বেশকিছু পরিবারকে অর্থনৈতিক ভাবে সচ্ছল করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।’

এসময় ইউএন হ্যাবিট্যাটের প্রতিনিধি সোহেল রানা, সিআরসি’র কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, খুলনা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ রহমান শুভ এবং অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইলে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ

হাসান সিকদার, টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) থানায় মামলা দায়ের পর গোলাম মোস্তফা (৪৫) নামের অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত সোমবার (৫ অক্টোবর) ধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিষয়টি জানতে পেরে মামলা করেন শিশুটির বাবা। মামলায় গ্রেপ্তার গোলাম মোস্তফা ছাড়াও ইসমাইল হোসেন (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর বাবা ও মামলার বাদী জানান, গত সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে প্রতিবেশী ইসমাইল হোসেন আমার মেয়েকে কৌশলে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে ইসমাইল ও গোলাম মোস্তফা তাকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে না বলতে হুমকিও দেয় তারা।

বৃহস্পতিবার শিশুটির পেটে ব্যথা শুরু হলে তাদেরকে ধর্ষণের ঘটনা খুলে বলে। পরে দুপুরে শিশুটিকে নিয়ে থানায় গিয়ে মামলা করেন তিনি। এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা দুইজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পলাতক আসামি ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আগামীকাল শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।

মা’কে বাচাতে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ভাই-বোনের সহযোগিতার আবেদন

আল নোমান, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি: মা’কে মৃত্যু থেকে ফেরানোর আকুতি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) পড়ুয়া দুই সন্তান রাহেলা ও মাহমুদের।

হার্টে ব্লাড সার্কুলেশনের জন্য থাকা বাল্ব প্রায় অকেজো অবস্থায় মৃত্যু পথযাত্রী তাদের “মা” শাহিনুর আক্তার (৪৩)।তাদের মা’কে বাঁচাতে প্রয়োজন পাঁচ লক্ষ টাকা।

হসপিটালের বেডে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন রাহেলা ও ইব্রাহিমের মা শাহিনুর আক্তার (৪৩)। ডাক্তারের পরামর্শ মতে, এখনই হার্টের বাল্ব রিপ্লেস করে কৃত্তিম বাল্ব লাগানো ছাড়া তাদের মা’কে বাঁচানো সম্ভব নয়।

রাহেলা ও মাহমুদ জানিয়েছে, ২০০৪ সালে প্রথম তাদের মায়ের হার্টে রোগ ধরা পড়ে। ১টি বাল্ব ৮০ শতাংশ ডেমেজ হয়ে গেলে তখন পিটিএমসি (কৃত্তিম বেলুন দিয়ে ফুলিয়ে দেয়া) করানো হয়। এরপর ২০১১ সাল পর্যন্ত আর বড় কোন সমস্যা দেখা দেয় নি। ১২ সালের শুরুতে আবার গুরুতর অবস্থা দেখা দিলে ঢাকায় নিয়ে আবারো পিটিএমসি করানো হয়। পরবর্তীতে ২০১৯ সালে আরো একবার সহ মোট তিন বার পিটিএমসি করানোর পর এ পর্যন্ত তিনি ছোটখাটো চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ থাকার চেষ্টা করেন।

তারা আরো জানায়, কিছুদিন ভালো থাকলেও চলতি বছরের জুলাইয়ের দিকে এই সমস্যা গুরুতর আকার ধারণ করতে থাকে। পরবর্তীতে কিছুদিন নোয়াখালী সদর হসপিটালে আব্দুল মালেক উকিল মেডিক্যাল কলেজ কার্ডিওলজি বিভাগের প্রফেসর সিরাজুল ইসলামের অধীনে চিকিৎসা নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হতে থাকলে তিনি বাল্ব রিপ্লেস করানোর পরামর্শ দেন এবং ঢাকায় স্থানান্তরিত করেন।

চিকিৎসা চলমান রয়েছে জানিয়ে তারা বলেন, নোয়াখালী সদর হসপিটালে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে ঢাকা ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কার্ডিওলজি বিভাগের ডাক্তার ফজিলাতুন্নেছা মালিকের অধীনে চিকিৎসা চলমান রয়েছে। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অল্প দিনের মধ্যেই হার্টের বাল্ব রিপ্লেস করে কৃত্তিম বাল্ব লাগাতে হবে।

হসপিটাল কর্তৃপক্ষ জানায়, বাল্ব রিপ্লেস করানো সহ ওই হসপিটালে তার চিকিৎসা সম্পন্ন করতে এই পরিবারটিকে পাঁচ লক্ষাধিক টাকা গুনতে হবে। এই টাকা খরচ করে চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়া এই মুহূর্তে ওই পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই মা’কে বাঁচাতে সেই মায়েরই বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দুই সন্তান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সহ শিক্ষক- শিক্ষার্থী, সহপাঠী ও বন্ধু-বান্ধব সকলকে তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আকুতি জানিয়েছেন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর জননীর এমন অবস্থা জানালে তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার কথা জানান, নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে আমরা শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে উক্ত চিকিৎসা খরচে জন্য সাধ্যমত সহযোগিতা প্রদান করবো।

রায়হানা আক্তার রাহেলা নোবিপ্রবির বাংলাদেশ এন্ড লিবারেশন ওয়ার স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী।ইব্রাহিম আল মাহমুদ বায়োকেমেস্ট্রি এন্ড মলিক্যুলার বায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী

সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানাঃ-
BKash – 01892061404, 01834296357
AB Bank Account – 47070211923
IBBL (students account) – SMSA 342 (Maijdee court branch)

টাঙ্গাইলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রবাসীর স্ত্রীর বিবস্ত্র ভিডিও ও ছবি ধারণ


হাসান সিকদার, টাঙ্গাইল:
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তোলা আপত্তিকর ছবি ও বিবস্ত্র অবস্থায় ধারণ করা ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে পাঁচ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঞ্জুর রহমান নামে ওই যুবকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেছেন ওই গৃহবধূ। ঘটনার পর ওই গৃহবধূ সন্তান নিয়ে স্বামীর সংসার থেকে বাবার বাড়ি চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

গ্রাম্য মাতব্বররা কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি আদালতের দারস্থ হয়েছেন। মঞ্জুর রহমান (২৬) উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের হাড়িয়া গ্রামের ইন্নছ আলীর ছেলে।

এ ঘটনার পর ওই যুবক এলাকাতেই দাপটের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতারণার শিকার ওই গৃহবধূ জানান, মঞ্জুর তাকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করতেন। তার কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হুমকি এবং ভয়ভীতি দেখাতেন। এক পর্যায় মঞ্জুরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে যান তিনি। প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। নিজের ভুল বুঝতে পেরে তিনি মঞ্জুরকে সরে দাঁড়াতে বলেন। কিন্তু মঞ্জুর বেঁকে বসে। ভিডিও ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দেয়।

তিনি ভয়ে তাকে কয়েক দফায় ৫ লাখ টাকা দেন। এতেও মঞ্জুর ক্ষান্ত না হয়ে বিদেশে যাওয়ার পুরো ৬ লাখ টাকা দাবি করেন ওই গৃহবধূর কাছে। তা না হলে সব ভিডিও ও ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকিও দেন। টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে প্রবাসে থাকা ওই গৃহবধূর স্বামীকে ভিডিও ও ছবির কথা বলে দেন মঞ্জুর। পরে মঞ্জুর ভিডিও ও ছবি ওই গৃহবধূর কয়েকজন আত্মীয়র ফেসবুক মেসেঞ্জারে পাঠায়। এ অবস্থায় সন্তান নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন ওই গৃহবধূ। পরে গ্রাম্য মাতাব্বরদের মাধ্যেমে একাধিকবার গ্রাম্য সালিশে মঞ্জুরকে শাস্তি দিলেও শুধরে না গিয়ে বরং আরও কয়েকজনকে ওই ভিডিও ও ছবি পাঠায়।

ওই সালিশে মাতাব্বর শাহীন, ফিরোজ আল মামুন, হেলাল উদ্দিন এবং জাহাঙ্গীরসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন বলে জানান ওই গৃহবধূ। এ বিষয়ে ভাওড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন জানান, এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। ওই ভিডিও ও ছবি তিনি দেখেছেন। গ্রাম্য সালিশের তারিখ দেওয়া হলেও তার আগেই ওই গৃহবধূ টাঙ্গাইল আদালতে মামলা করেছেন। মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন জানান, ওই গৃহবধূ পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা করেছেন। আদালত থেকে মামলার তদন্ত চেয়েছেন। তদন্ত কাজ চলছে। তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

উত্তরা ইপিজেডে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ, ৬ ঘন্টায় মধ্যে ধর্ষক গ্রেফতার

বাবলু ইসলাম, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি: গত ২৪ সেপ্টেম্বর উত্তরা ইপিজেডে চাকুরীর প্রলোভনে নুর আমিন এক নারীকে নীলফামারী থানাধীন হাজিগঞ্জ এলাকায় তার আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

থানা সূত্রে জানাযায়, গত ০৬ অক্টোবর ২০২০ তারিখ জনৈকা রাশেদা (ছদ্মনাম) থানায় লিখিতভাবে জানান আসামী মোঃ নুর আমিন( ৪৫),পিতা মৃত: ফজলে রহমান,গ্রামঃ মৌয়া গাছ, থানা -বদরগঞ্জ, জেলাঃ রংপুর। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে নীলফামারী থানার মামলা নং-০৮ তারিখঃ ০৬/১০/২০২০, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন২০০০ (সংশোধনী/০৩) এর ৯(১) রুজু করা হয়।

তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ সুপার নীলফামারী জনাব মোঃ মোখলেছুর রহমান বিপিএম, পিপিএম মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান পরিচালজনা করার এক পর্যায়ে মামলা রুজুর ০৬ ঘণ্টার মধ্যে আসামি মোঃ নুরুল আমিন নীলফামারী থানাধীন কাজিরহাট এলাকা হতে গ্রেপ্তার করে নীলফামারী সদর থানা পুলিশ।

আসামীকে মামলা সংক্রান্তে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা সহ ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।

জবিতে ৪৮০ তম স্কাউট লিডার বেসিক কোর্স সম্পন্ন

ফাতেমা তুজ জোহরা ইমু,জবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ স্কাউটস ঢাকা অঞ্চলের পরিচালনায় ও স্কাউটস রোভার অঞ্চলের ব্যবস্থাপনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) রোভার স্কাউট গ্রুপের সহয়তায় ৪৮০তম স্কাউট লিডার বেসিক কোর্স সম্পন্ন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সমাপনী অনুষ্ঠানটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান।

বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চল এর উপ-পরিচালক ও ৪৮০তম স্কাউট লিডার বেসিক কোর্সের কোর্স লিডার মোহাম্মদ আবুল খায়ের এর-সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ।

সমাপনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের রোভার স্কাউট লিডার ও সম্পাদক, অধ্যাপক ড. মোঃ মনিরুজ্জামান খন্দকার। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আশা করি আপনারা খুব মনোযোগ সহকারে কোর্সটি সম্পন্ন করেছেন। আগামী দিনে আপনারা আবার প্রশিক্ষক হয়ে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে স্কাউটিং প্রশিক্ষণ দিতে পারবেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল সহ অন্যান্য শিক্ষক ও রোভারবৃন্দ।

শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় দশে থাকবে ডিআইইউ- উপাচার্য ড.এ কে এম মহসিন


মাহমুদুল হাসান:
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) এর ২৫ বছর পূর্তিতে ‘সংগ্রাম ও সাফল্যের ২৫ বছরে ডিআইইউ’ শীর্ষক এক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির আয়োজনে এবং ওয়াহিদ তাওসিফ মুছার সঞ্চালনায় বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে অনলাইনে ওই ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কে এম মোহসিন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. আবু তারেক।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্নের ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সভাপতি ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী(এমপি) এর আন্তরিক সহযোগিতায় দেশের শীর্ষস্থানীয় দশটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান করে নিবে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

বুধবার রাত ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি এবং ভার্সিটি ভয়েজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ এবং গ্রুপ থেকে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. আবু তারেক বলেন, ‘ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাথে ২০১২ সাল থেকে কাজ করে আসছি। এই ৮ বছরের পদচারণায় সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সহায়তায় এবং ঐক্যবদ্ধতার কারণে আমরা ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিকে খুব সুন্দরভাবেই পরিচালিত করতে পেরেছি। আগামীতেও আমাদের এই ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার কারণে ঠিক একইভাবে আমরা আমাদের প্রাণপ্রিয় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিকে খুব সুন্দরভাবেই পরিচালিত করতে পারব। শিক্ষার মান বৃদ্ধি এবং শিক্ষক- শিক্ষার্থীদের সর্বাত্মক সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন সবসময় পাশে আছে। যেকোনো সমস্যার সমাধান আমরা দ্রুত করার চেষ্টা করছি

দেশের মানুষ করোনার সেকেন্ড ওয়েবকে ভয় পায়না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের মানুষ করোনার সেকেন্ড ওয়েবকে ভয় পায়না বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহেদ মালিক। আজ (বৃহস্পতিবার) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘হেলথ মিনিস্টারস ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড -২০১৯’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সেকেন্ড ওয়েবের কথা বলা হচ্ছে। শীতের দিনে বিভিন্ন দেশে করোনা সংক্রমণ হতে পারে। আমাদের দেশেও বাড়তে পারে। সেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেজন্য আমরাও প্রস্তুত আছি। আমাদের ডাক্তার নার্সদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলো প্রস্তুত রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ কোনো ঢেউ ভয় পায় না।

তিনি বলেন, বিশ্বের টিকা তৈরিকারী সব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ আছে। যে টিকা সবার আগে পাওয়া যাবে, ইফেক্টিভ হবে এবং আমরা এফোর্ড করতে পারব। যে টিকাটি বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে উপকারী হবে, কার্যকরী হবে, তাড়াতাড়ি পাবো, বেশি পরিমাণে পাব, আমরা সেদিকে যাব।