আশরাফুল , ডুয়েট : ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(ডুয়েট) বিদেশে উচ্চশিক্ষায় কভিড -১৯ এর প্রভাব, শিক্ষবৃত্তির চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ-সুবিধা বিষয়ে আন্তর্জাতিক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

২ অক্টোবর বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যারিয়ার বিষয়ক সংগঠন ডুয়েট ক্যারিয়ার এন্ড রিসার্চ ক্লাব এই ওয়েবিনারটি আয়োজন করে।

ডুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমরান হোসাইন খানের সঞ্চালনায় ওয়েবিনারে স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সেন্টার ফর ন্যানোম্যাটেরিয়ালস এন্ড এনার্জি টেকনোলজি এর প্রধান অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান এবং অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি এর সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির সহযোগী অধ্যাপক ও এনার্জি এন্ড ড্রায়িং রিসার্চ গ্রুপের লিডার ড. আজহারুল করিম।

ওয়েবিনারটিতে বিশ্বের ৫ টি দেশের ১৫ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬৯ জন শিক্ষার্থী রেজিষ্ট্রেশন করেন।

প্রতিবছরই গবেষণা খাতে আগ্রহ ও উচ্চশিক্ষার লক্ষে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করা অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি নিয়ে থাকেন। কিন্তু বর্তমানে কোভিড-১৯ মহামারীর কারনে অন্যান্য সেক্টরের ন্যায় বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা খাতেও অনিশ্চয়তা ও ধোয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। তাই কোভিড -১৯ এর এই সময় কিংবা তার পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিকভাবে উচ্চশিক্ষার অবস্থা কেমন থাকবে এবং স্কলারশিপ সুবিধার কিরুপ পরিবর্তন আসতে পারে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় উক্ত ওয়েবিনারে।

অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর প্রভাবে স্বাভাবিকভাবেই অন্যান্য খাতের মতো উচ্চশিক্ষা খাতেও প্রভাব পড়েছে। বাংলাদেশের বেশির্ভাগ শিক্ষার্থী বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে যায়, কিন্তু করোনার কারনে সকল দেশের অর্থনীতিতে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। তাই আপাতত স্কলারশিপ পাওয়াটা আগের চেয়ে একটু কঠিন। তবে সময়ের সাথে তা ঠিক হয়ে যাবে বলে তিনি আশা করেন।

তবে এই সময়ে বসে না থেকে অনলাইন প্লাটফর্ম কাজে লাগিয়ে রিসার্চারদের সাথে যোগাযোগ এবং আর্টিকেল পাব্লিকেশনের উপর গুরুত্বারোপ করতে হবে।

ড. আজহারুল করিম তার বক্তব্যে বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর প্রভাবে উচ্চশিক্ষার ফান্ডিং এর ক্ষেত্রে সাময়িকভাবে কিছু জটিলতা তৈরি হলেও তার প্রকটতা সময়ের সাথে কমে আসবে। অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা কিংবা ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণা খাতে অনেক বিদেশি ছাত্রদের এডমিশন দিয়ে থাকে, তাই তারাও চাইবে এই সমস্যা দ্রুত কাটিয়ে উঠতে। তবে এই সময় অন্যান্য দেশের শিক্ষার্থীদের উচিত হবে ল্যাংগুয়েজ প্রফিসিয়েন্সি, পাব্লিকেশন এইসব বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা, যাতে করে পরিস্থিতির উন্নয়ন হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই এডমিশন নেওয়া যায়।’

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *