করোনা ভ্যাকসিনের মূল্য নির্ধারণ করেছে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট। তাদের প্রতি ডোজ ভ্যাকসিনের মূল্য ধরা হয়েছে ৩ ডলার (প্রায় ২৫০ টাকা)। দরিদ্র দেশের সাধারণ মানুষ যাতে সহজে ভ্যাকসিন পেতে পারে, সেজন্য অল্প মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে ভ্যাকসিনের মান নিয়ে আপস করা হবে না বলে জানিয়েছেন সিরাম ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা। একইসঙ্গে মাঝারি এবং নিম্ন আয়ের দেশগুলোর জন্য অতিরিক্ত দশ কোটি ডোজ করোনা ভ্যাকসিন উৎপাদনের কথা জানানো হয়েছে।

করোনা ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইনোভিও। এরইমধ্যে মানবদেহে ডিএনএভিত্তিক এ ভ্যাকসিনের প্রথম ট্রায়াল শেষ হয়েছে। ৩৬ জন স্বেচ্ছাসেবীর মধ্যে ৩৪ জনের দেহেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়েছে। অন্যদিকে কারো শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে জার্মানির সংক্রমণ গবেষণা কেন্দ্র জানিয়েছে, গুটি বসন্তের ভ্যাকসিনের কিছু সংশোধন করে তা করোনা ভ্যাকসিনের জন্য নিবন্ধন পেয়েছে তারা। এরইমধ্যে মানবদেহে প্রথম ট্রায়ালের অনুমতি পেয়েছে সংস্থাটি। খুব শিগগিরই ভ্যাকসিনটি প্রথম দফার পরীক্ষা শেষ করে দ্বিতীয় পরীক্ষা শুরু করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিশ্বে এখন পর্যন্ত মানবদেহে ৪৩টি ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে। যার মধ্যে ১১টি রয়েছে তৃতীয় স্তরে। আর দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা চলছে ১৪টি ভ্যাকসিনের। সীমিত পরিসরে ব্যবহারের জন্য অনুমতি পেয়েছে ৫টি। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানী এবং গবেষকরা প্রাণি দেহে পরীক্ষা চালাচ্ছে শতাধিক ভ্যাকসিনের।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *