সিংড়ায় এবার পানির চাপে ভেঙ্গে গেলো শোলাকুড়া সড়ক


আমিরুল ইসলাম, নাটোর জেলা প্রতিনিধি:
নাটোরে সিংড়া পয়েন্টে আত্রাই নদীর পানি বিপদ সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানির চাপে সড়ক ভেঙ্গে পানি ঢুকছে জনবসতি এলাকায়।

আজ সকালে পৌর এলাকার শোলাকুড়া এলাকার সড়ক ভেঙ্গে গেছে। এতে করে সিংড়ার সাথে কলম, বিলদহর ও কালীগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। সিংড়া পৌর এলাকার ১২টি ওয়াডের্ই পানি প্রবেশ করেছে।

ভারীবর্ষন আর উজানের ঢলে আত্রাই নদীর পানি আবারো বেড়ে গেছে।দ্বিতীয়দফা বন্যায় চলনবিল অধ্যুষিত সিংড়া ও নলডাঙ্গা উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এই দুই উপজেলায় ৩৩টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে মেহেরপুরে মানববন্ধন


স্টাফ রিপোর্টার, মেহেরপুরঃ
ধর্ষনের প্রতিবাদে এবং ধর্ষকের শাস্তির দাবীতে একত্রে মানববন্ধন করেছে মেহেরপুরের কয়েকটি তরুন সামাজিক সংগঠন।

বুধবার দুপুর ১২ টায় মেহেরপুর প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে অংকুর, জাগো মেহেরপুর, মেহেরপুর ব্লাড ব্যাংক সহ কযেকটি সামাজিক সংগঠনের কর্মী বৃন্দ অংশগ্রহন করেন।

অংকুর সামাজিক সংগঠনের সভাপতি নাসিম রানার নেতৃত্বে মানববন্ধনে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড চেয়ে দৃষ্টন্তমুলক শাস্তির দাবী জানানো হয়।

এ সময় সংগঠনটির সহ-সভাপতি ফারদিন ইমতিয়াজ, সাধারন সম্পাদক জাবির আল সাবা, যুগ্ন সম্পাদক হিমেল মেহেরপুর ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি শাকিল আহমেদ, জাগো মেহেরপুর সংগঠনের যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল আলিম সহ কয়েকটি তরুন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মনিববন্ধনে অংশগ্রহন করেন।

গাংনীতে গাঁজাসহ যুবক আটক


স্টাফ রিপোর্টার, মেহেরপুর:
মেহেরপুরের গাংনীতে ২শ’ গ্রাম গাঁজা সহ মোর্তজা হাবিব নাঈম (২৫) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার সন্ধ্যায় সাড়ে ৭ টায় গাংনী বাজার কাথুলী মোড় থেকে তাকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত মোর্তজা হাবিব নাঈম থানাপাড়ার মোঃ নাসির উদ্দিনের ছেলে।

মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি জুলফিকার আলী জানান,মোর্তজা হাবিব নাঈম নামের এক যুবক গাঁজা নিয়ে কাথুলী মোড় এলাকায় অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার এস এম মুরাদ আলীর নির্দেশে এস আই অজয় কুমার কুন্ডু সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ২শ’ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মোর্তজা হাবিব নাঈমের বিরুদ্ধে গাংনী থানায় মাদক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের পূর্বক আদালতে সোপর্দ করা হবে।

৪ শর্ত মেনে শুরু হল ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেলের পরীক্ষা

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া ৪ শর্ত মেনে বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়েছে ইংরেজি মাধ্যমের ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা। আগামী ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এ পরীক্ষা। এতে ৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর এক বিবৃতিতে ব্রিটিশ কাউন্সিল জানিয়েছে, এ বছরের অক্টোবর-নভেম্বর (২০২০) সেশনের ইন্টারন্যাশনাল জিসিএসই, আইজিসিএসই, ‘ও’ লেভেল এবং ‘এ’ লেভেল পর্যায়ের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

এতে বলা হয়, দেশে প্রায় ৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থী আছে, যারা অক্টোবর-নভেম্বরের পরীক্ষার জন্য জুলাই-আগস্টে রেজিস্ট্রেশন করেছে। সময়মতো এই পরীক্ষা দেয়া তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বাধ্যতামূলক ফেস মাস্ক পরিধান, পরীক্ষার্থীদের শারীরিক দূরত্ব, পরীক্ষাকেন্দ্র নিয়মিত পরিষ্কার, স্যানিটাইজেশনসহ ব্রিটিশ কাউন্সিলের সুরক্ষা প্রোটোকলগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ ও খুলনার সব পরীক্ষা কেন্দ্রে মানা হবে।

এর আগে করোনার কারণে বিশ্বব্যাপী মে-জুন সেশনের পরীক্ষা না নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ব্রিটিশ কাউন্সিল।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে বলা হয়, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের পরিচালনায় ‘ও’ লেভেল এবং ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা চার শর্তে আগামী ১ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত নেয়ার অনুমতি দিয়ে মন্ত্রণালয় সম্মতি জানিয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে-
১. স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের স্বাস্থ্যবিধি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

২. সারা দেশের ৩৫টি ভেন্যুতে প্রতিদিন এক হাজার ৮০০ পরীক্ষার্থীর বেশি জনের পরীক্ষা নেয়া যাবে না। পরীক্ষার হলে প্রতিজন শিক্ষার্থীর মাঝে দূরত্ব থাকতে হবে ৬ ফুট।

৩. পরিস্থিতি বিবেচনায় যেকোনো সময় সরকার জনস্বার্থে পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি বাতিল করতে পারবে।

৪. পরীক্ষার সময় কোনো শিক্ষার্থী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তার দায়দায়িত্ব নিতে হবে ব্রিটিশ কাউন্সিলকেই।

ভারতের কারাগারে সবচেয়ে বেশি বিদেশি বন্দি বাংলাদেশের

বাংলাদেশের প্রতিবেশী ও বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র ভারত। পার্শ্ববর্তী দেশ হিসেবে ব্যবসা-বাণিজ্য, ভ্রমণ ও চিকিৎসার প্রয়োজনে ভারতে বাংলাদেশের মানুষের বিচরণ তুলনামূলক বেশিই। তবে শুধু ব্যবসা ও হাসপাতালে নয়, ভারতের জেলখানাগুলোতেও অন্যান্য যেকোনো দেশের চেয়ে বাংলাদেশিদের সংখ্যা অনেক বেশি।

ভারতে বিদেশি বন্দিদের সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। দেশটির জেলে বন্দি রয়েছেন ২ হাজার ৫১৩ জন বাংলাদেশি। এর মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত তথা কয়েদি এক হাজার ৪৭০ জন এবং হাজতি তথা এখনও সাজা হয়নি এমন রয়েছেন এক হাজার ৪৩ জন।

দেশটির ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর (এনসিআরবি) প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। বিদেশি বন্দিদের বড় অংশই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের জেলগুলোতে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে ভারতের জেলে বিদেশি বন্দি ছিলেন ৫ হাজার ১৬৮ জন। ২০১৯ সালে তা বেড়ে হয় ৫ হাজার ৬০৮ জনের। দেশটির এক হাজার ৩৫০টি জেলে বিদেশি বন্দিদের মধ্যে পুরুষ ৪ হাজার ৭৭৬ এবং মহিলা ৮৩২ জন রয়েছেন। এর মধ্যে ২ হাজার ১৭১ জন সাজাপ্রাপ্ত এবং ২ হাজার ৯৭৯ জন বিচারাধীন। সেই সঙ্গে ৪০ জন আটক বন্দিও রয়েছেন।

এনসিআরবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে ১ হাজার ৪৭০ জন বাংলাদেশের নাগরিক। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নেপাল। দেশটির ২২৮ বাসিন্দা আদালতের নির্দেশ মতো ভারতের জেলে সাজা খাটছেন। তৃতীয় স্থানে থাকা মিয়ানমারের ১৫৫ জন বন্দির দিন কাটছে ভারতের জেলে। সাজাপ্রাপ্ত বিদেশি বন্দিদের মধ্যে ৬৩.৫ শতাংশই রয়েছে বঙ্গের জেলে। সেখানে রয়েছে এক হাজার ৩৭৯ জন। যার বেশিরভাগই বাংলাদেশি বন্দি।

এদিকে বিচারাধীন বন্দিতেও শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের কারাগারে দিন কাটাচ্ছেন এক হাজার ৪৩ জন বাংলাদেশি। যাদের এখনও বিচার হয়নি। এর ঠিক পরেই রয়েছে নাইজেরিয়া। দেশটির ৬৮৬ জন নাগরিক ভারতের জেলে বিচার শেষ হওয়ায় অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন। নেপালের ৫১৭ জনও ভারতের জেলে বিচারাধীন বন্দি হিসেবে রয়েছেন। এ ক্ষেত্রেও প্রথম স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। বঙ্গের জেলে রয়েছেন ৫৭৬ বিদেশি বিচারাধীন বন্দি।

ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি বন্দিদের একটা বড় অংশের বিরুদ্ধে অভিযোগ- বিনা ভিসায় ভারতে প্রবেশ। আর সেই জটিলতাতে সাজা শেষ হয়ে গেলেও দেশে ফিরতে দেরি হয় অনেকের। বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গই অন্যতম প্রধান করিডর। তাই বাংলাদেশের নাগরিক গ্রেফতারের তালিকা চওড়া হওয়ায় বিদেশি বন্দির সংখ্যা নিরিখে একেবারে সামনের সারিতে রয়েছে বঙ্গের জেলগুলো।

সম্প্রতি, পশ্চিমবঙ্গের জেল থেকে প্রায় ৬৮০ জন বন্দিকে বাংলাদেশে পাঠাতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্যের কারা দফতর।

জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশোর বাবা আর নেই

হাসান সিকদার, টাঙ্গাইল :
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের সদস্য, ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রিয় নাট্য অভিনেতা আফরান নিশোর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ ভোলা মিয়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) ভোর রাতে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

জানা গেছে , আব্দুল হামিদ মিয়া ভোলা দীর্ঘদিন ধরে কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত ছিলেন। এছাড়াও তিনি বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন। সম্প্রতি অবস্থার অবনতি হলে তাকে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের আইসিইউতে রাখা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোররাতে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন তিনি।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) আসরের নামাজের পর ভূঞাপুর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাযা শেষে পৌরসভার ছব্বিশাস্থ ভূঞাপুর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হবে। এদিকে, বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ মিয়া ভোলার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।

কেস সলভিং এ নতুন মাত্রা, চুয়েট আর.এম.এ এর ইন্সাইট ব্রেক দা ভল্ট

তাসফিয়া আমিন, চুয়েট প্রতিনিধি :
চট্রগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকরী ক্লাব ও এসোসিয়েশন গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে “রোবো মেকাট্রনিক্স এসোসিয়েশন (আর.এম.এ) বাংলাদেশ“ । দীর্ঘ ৬ মাস ধরে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও এর মধ্যেও এসোসিয়েশনটি তাদের কার্যক্রম বিভিন্ন সময় চালিয়ে গিয়েছে ।

করোনার এই অচল সময়ে চুয়েটিয়ানদের জন্য “রোবো মেকাট্রনিক্স এসোসিয়েশন বাংলাদেশ “ এর পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয়েছে “ইন্সাইট – ব্রেক দা ভল্ট “ নামের একটি কেস সল্ভিং কম্পিটিশন । কেস হিসেবে দেয়া থাকবে একটি ত্রুটিপূর্ণ ভল্ট । অংশগ্রহণকারিদের কাজ সেই ত্রুটিগুলো খুজে বের করা ।

এই কেস কম্পিটিশনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে পার্টিসিপেটদের একটা সিস্টেমের ডিবাগিং এবং ট্রাবলশুটিংয়ের সাথে পরিচয় করানো।

অংশগ্রহণকারীরা একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিওয়ের মাধ্যমে তাদের ফলাফল বর্ণনা করবেন যার উপর ভিত্তি করে ১০০ এর মধ্যে তাদের কে উপযুক্ত নাম্বার দেয়া করা হবে। এই বিবেচনায় ৫টি টিমকে ফাইনালিস্ট হিসেবে নেয়া হবে।

২৯শে সেপ্টেম্বর থেকেই এর রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। ৫ অক্টোবর হচ্ছে রেজিস্ট্রেশনের এর শেষ তারিখ । ৮ই অক্টোবরের মধ্যেই প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে সাবমিশন শেষ করতে হবে।

আর ৯ই অক্টোবর হচ্ছে বহুল প্রতিক্ষিত ফাইনাল যেইখানে চমক হিসেবে থাকছে ” এন্টারপ্রেনারশীপ ইন দা ফিল্ড অব রোবোটিক্স অ্যান্ড অটোমেশন ” শীর্ষক ওয়েবিনার। এছাড়াও থাকছে পুরষ্কার বিতরণ পর্ব যেখানে প্রথমস্থান অধিকারীর জন্যে রয়েছে ৩০০০ টাকার প্রাইজমানি আর রানার্সআপ এর জন্যে ২০০০ টাকার প্রাইজমানি । নিঃসন্দেহে এটি চুয়েটিয়ানদের জন্য সময় এবং ব্রেইন দুটোকেই কাজের লাগানোর অন্যতম সুযোগ ।

আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে ৬ পদক বাংলাদেশের

৬১ তম আন্তজার্তিক গণিত অলিম্পিয়াড এ বাংলাদেশের ছয় জন পদক পেয়েছেন। তার মধ্যে একজন রূপা এবং বাকি পাঁচজন ব্রোঞ্জপদক পেয়েছেন। মোট ১১৭ নম্বর পেয়ে ১০৭ টি দেশের মধ্যে ৩৮ তম স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশ।

৪২ নম্বরের মধ্যে ২৯ নম্বর পেয়ে দেশের জন্য একমাত্র রুপার পদকটি পেয়েছে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী আহমেদ ইত্তিহাদ। মাত্র ২ নম্বরের জন্য সোনার পদক পায়নি সে।

বাংলাদেশ দলের অপর পাঁচ সদস্য এসওএস হারম্যান মেইনার কলেজের শিক্ষার্থী এম আহসান-আল-মাহীর (প্রাপ্ত নম্বর ২০), ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজের মো. মারুফ হাসান রুবাব (১৯), কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের আদনান সাদিক (১৮), নটর ডেম কলেজের রাইয়্যান জামিল (১৬) ও ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের শিক্ষার্থী সৌমিত্র দাস (১৬) পেয়েছে ব্রোঞ্জপদক। দলের সব সদস্যের পদক অর্জন এবারই প্রথম।

বাংলাদেশের দলনেতা ড. মাহবুব মজুমদার স্যার বলেছেন প্রত্যেক প্রতিযোগী জ্যামিতি সমস্যার পূর্ণ সমাধান করেছেন। সব মিলিয়ে চমৎকার অর্জন।

বিশ্বে করোনা থেকে সুস্থ ২ কোটি ৫৪ লাখ ছাড়াল

বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় তিন কোটি ৪১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৩৬ জনে। আর মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ১৮ হাজার ৭৬৯ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন দুই কোটি ৫৪ লাখ ২৬ হাজার ৪১১ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ২ লাখ ১১ হাজার ৭৪০ জন এখন পর্যন্ত মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে। এই পর্যন্ত ৭৪ লাখ ৮৭ হাজার ২৮২ জন এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন।

মধ্যরাতে ছিন্নমূল ও অসহায়দের পাশে আল্লামা আনোয়ার শাহ রহ. ফাউন্ডেশন

ঝলক রায়, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ দিনের আলোয় বিভিন্ন বাসা বাড়িতে খাবার জুটলেও রাতের আধারে খাবারের কষ্ট করেন ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষ। রাত যত গভীর হয় তাদের ক্ষুধার যন্ত্রণাও ততোই তীব্র হয়। একটা সময় ক্ষুধার তাড়নায় পথে-ঘাটে ঘুমিয়ে পড়েন তারা।

এমন সব ছিন্নমূল ও অসহায়দের পাশে খাবার নিয়ে রাতে হাজির হয় আল্লামা আযহার আলী আনোয়ার শাহ রহ. ফাউন্ডেশন।

কিশোরগঞ্জ শহরের রাস্তায়, রেলস্টেশন ও বাস টার্মিনালে পড়ে থাকা এমন সব মানুষের মাঝে মধ্যরাতে খাবার বিতরণ করেন সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা।

শহরের রেল স্টেশন থেকে শুরু করে গাইটাল বাস টার্মিনাল, ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের পার্শ্ববর্তী স্থানে তাদের কার্যক্রম চলে।

এ কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ার অধ্যক্ষ মাওলানা শাব্বির আহমাদ রশিদ। আল্লামা আযহার আলী আনোয়ার শাহ রহ. ফাউন্ডেশন করোনাকালে মৃতদের কাফন দাফন ও ত্রাণ কার্যক্রম করে আসছে।

পাশাপাশি করোনা রোগিদের চিকিৎসা সামগ্রী, স্বেচ্ছায় রক্তদান, জরুরি ভিত্তিতে অক্সিজেন ও মধ্য রাতে খাবার বিতরণ কার্যক্রম চালু করে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে মানবিক এই ফাউন্ডেশনটি।

করোনাকালে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মৃতদের কাফন-দাফনে অনন্য অবদান রাখায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন।