ঠাকুরগাঁওয়ে ছাত্র ইউনিয়ন নেতা ও সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে বাংলাদেশ শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঠাকুরগাঁও ছাত্র ইউনিয়নের যুগ্ন আহবায়ক আর এম রিংকু ও সাংবাদিক জয়মোহন্ত অলকের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২৯) সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে এগারটার দিকে সাংবাদিক জয় ও আর এম রিংকু সাংগঠনিক কাজ শেষে ঠাকুরগাঁও শহর থেকে কলেজ পাড়ায় আসার পথে টাঙ্গন নদীর ব্রীজের উপর এই ঘটনা ঘটে।

এ সময় ৬/৭ জনের একটি সন্ত্রাসী দল মটর সাইকেল যোগে হেলমেট পরিহিত অবস্থায় ব্রীজের উপর এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারী তাদের কোপাতে থাকে। তারা চিৎকার করতে থাকলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে পথচারী এবং এলাকাবাসী এসে উদ্ধার করে আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে।

জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দীক বলেন তারা দুজনেই কাজ শেষে কলেজ পাড়ায় ফিরছিল এমন সময় টাঙ্গন নদীর ব্রীজের উপর সন্ত্রাসীরা তাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায়।

বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা শাখার সভাপতি আহসানুল হক বাবু বলেন সন্ত্রাসীরা এটা পূর্বপরিকল্পিত ভাবে ঘটিয়েছে। তিনি আরো বলেন মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত রোগীদের ৭২ ঘন্টা নিবিড় পরিচর্যায় রাখা হয় কিন্তু ১৩ ঘন্টা যেতে না যেতেই সার্জারী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহরিয়ার শেখ রিফাত সেটা না করে করোনার অজুহাত দেখিয়ে রিলিজ দিয়েছেন। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক, এটা সরকার দলীয় প্রভাবশালী কোন রাজনৈতিক নেতার ইশারায় ঘটেছে বলে মনে করেন।

কর্তব্যরত চিকিৎসক শাহরিয়ার শেখ রিফাত বলেন রোগীদের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে, করোনা পরিস্থিতিতে হাসপাতালে রোগী রাখাও রিকস্ সে চিন্তা ভাবনা করে ৭দিন পরে এসে সেলাই নেয়ার পরামর্শ দিয়ে রিলিজ দেয়া হয়েছে।

অপরদিকে আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: রাকিবুল আলম বলেন রোগীদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক কেন রিলিজ দিয়েছে বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে পরিস্থিতি বিবেচনা করে রিলিজ স্থগিত করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ওসি তানভিরুল ইসলাম বলেন ঘটনাটি শুনেছি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দৌলতপুরে জেলা পরিষদের অর্থায়নে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

খন্দকার জালাল উদ্দীন, দৌলতপুর প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া দৌলতপুরে জেলা পরিষদের অর্থায়নে ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকাল ৩ টার সময় উপজেলা অডিটোরিয়ামে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য আ.কা.ম. সরওয়ার জাহান বাদশাহ্।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. এজাজ আহমেদ মামুন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, উপজেলা আওয়ামীলীগ’র সাবেক তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক টিপু নেওয়াজ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ছাদিকুজ্জামান খান সুমন, উপজেলা ভাইস- চেয়ারম্যান সাক্কির আহমেদ, মহিলা ভাইস- চেয়ারম্যান সোনালী খাতুন ও বিশিষ্ট সমাজসেবক কামাল মল্লিক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ।

জেলা পরিষদ সদস্য মায়াবী রোমান্স মল্লিকের সৌজন্যে উপজেলার ৪০ টি বিদ্যালয়ের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী, ফুটবল, জারসি,ক্যারাম বোর্ড,দাবা,স্কীপিং নেক, লুডু সহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন।

মেহেরপুরের গাংনীতে কন্যা শিশু দিবস পালন

স্টাফ রিপোর্টার-মেহেরপুরঃ মেহেরপুরের গাংনীতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত ও আলােচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে গাংনী উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এই আলােচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরএম সেলিম শাহনেওয়াজ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেহেরপুর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমিন।

সভার আয়ােজন করে উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন,দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশের গাংনী এলাকা সমন্বয়কারী হেলাল উদ্দীন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন,সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)এর গাংনী উপজেলা শাখার সভাপতি ও গাংনী সরকারী ডিগ্রী কলেজের (সাবেক) সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রশীদসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন,উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রশিক্ষক নারগিছ সুলতানা নির্জনা।

সৈয়দপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষনের চেষ্টা, যুবক গ্রেফতার

বাবলু ইসলাম, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধিঃ সৈয়দপুরের স্বনামধন্য এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী (১৩)কে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে মামুন (২৭) নামে যুবককে আটক করেছে থানা পুলিশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্ব) দুপুরে এ অভিযোগে ওই ছাত্রীর মা শাহানাজ বেগম (৪৮) বাদী হয়ে আটক যুবককে প্রধান ও একমাত্র আসামী করে সৈয়দপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগে জানা যায়, সৈয়দপুর শহরের পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের নয়াটোলা এলাকায় ভাড়া বাড়িতে অটোচালক স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে মায়ের সাথে বসবাস করেন শাহানাজ বেগম।

বুধাবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টায় বিভিন্ন প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে চলে সকলে। তাদের বাড়ির পাশে বসবাস করত নুর ইসলামের ছেলে সোহেল তার স্ত্রী সন্তান ও বিমাতা ছোট ভাই মামুন। প্রতিবেশি স্কুল ছাত্রী তাদের ঘরে একা রয়েছে এমন খবর পেয়ে ঘরে জোর পুর্বক প্রবেশ করে মামুন। সেখানে ঘরের দড়জা বন্ধ করে স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতা হানী ঘটায়।

এ সময় প্রতিবেশিরা স্কুল ছাত্রীর চিতকারে ছুটে এসে ঘরের দড়জা ভেঙ্গে তাকে উদ্ধার করে এবং ধর্ষনের চেষ্টাকারী যুবককে আটক করেন। পরে তার বিমাতা ভাই সোহেল স্থানিয় থানা পুলিশে খবর দিয়ে সোপর্দ করা হয়। পরে এ ঘটনায় বাদী হয়ে স্কুল ছাত্রীর মা শাহনাজ বেগম বাদী হয়ে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এ আটক যুকককে একমাত্র প্রধান আসামী করে ৪৬/ এর খ ধারায় মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-২৬।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সৈয়দপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ আবুল হাসনাত খান বলেন, ধর্ষনকারী যেই হোক কোন ছাড় নয়। পরে ওই দিন বিকালে সৈয়দপুর পুলিশ প্রশাসন আটক মামুনকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে নীলফামারী জেলা কারাগারে প্রেরন করেন।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের জন্য ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সহায়তা চাইলেন শিশুদের বন্ধু আরিফ

আজ সকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসনের সাথে এক অনলাইন কনফারেন্সে অংশ নেন বাংলাদেশের শিশু অধিকারকর্মী ও আন্তর্জাতিক মহলে মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত আরিফ রহমান শিবলী।

কনফারেন্সে দেশে বন্যায় ভয়াবহ ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর শিশুদের জন্য ব্রিটিশ সরকারের সহায়তা বাড়াতে অনুরোধ করে আরিফ ব্রিটিশ হাই কমিশনার কে বলেন, ব্যাপক স্কুল কলেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।যেগুলো দ্রুত নির্মাণ করতে হবে অন্যথায় লক্ষ লক্ষ ভাইবোন শিক্ষা গ্রহনে ক্ষতির মুখে পড়বে৷ পাশাপাশি ব্রিটিশ মেডিক্যাল টিম দেশে এনে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর শিশুদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে আহবান জানান আরিফ।

ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন বলেন, শিশুদের প্রতি বরাবর ই আন্তরিক ব্রিটিশ সরকার।তাদের সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে কাজ করতে চায় বাংলাদেশ সরকারের সাথে সমন্বয় করে। এই সময় শিশুদের জন্য সহায়তা চাওয়ায় আরিফের প্রশংসা করেন রবার্ট চ্যাটার্টন।

বাংলাদেশের শিশুদের জন্য কাজ করে ইতিমধ্যে ইউনিসেফ, সেভ দ্য চিলড্রেনস পদক সহ সম্প্রতি, জাতিসংঘ ৭৫ পোস্টারে স্থান পেয়েছেন আরিফ রহমান শিবলী।বহিঃবিশ্বে পরিচিতি পেয়েছেন ‘ ভয়েজ অব বাংলাদেশ চিলড্রেনস ‘ হিসেবে।

‘সরকারি হাসপাতালের আহাজারি’

মুমুর্ষু রোগীর আহাজারি তো অনেক শুনি কিংবা টিভির পর্দায় হাজারো গল্প নিজ চোখে দেখা হয়।তবে নিজ চোখে সরাসরি খুব একটা দেখা হয়নি।বয়স স্বল্পতার কারণে তা সম্ভবও হয়ে উঠেনি।গত কয়েকদিন আগে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে গিয়েছিলাম। যার সুবাদে রোগীদের আহাজারি নিজ চোখে দেখার ইচ্ছেটা পূর্ণ হয়েছিল।

দাদু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যাওয়াতে তড়িঘড়ি করে গাড়ি নিয়ে টেকনাফ থেকে কক্সবাজার হাসপাতালে গিয়েছিলাম।একটা প্রাইভেট হাসপাতালে ডাক্তার দেখানোর পর ডাক্তার আমার দাদুকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি দেওয়ার পরামর্শ দেন।ডাক্তার পরামর্শ অনুযায়ী আমি ও দাদুকে সদর হাসপাতালের গেইটে নিয়েছিলাম।যখনি হাসপাতালে ঢুকতে যাব তখন পিছন থেকে সিকিউরিটি ডাক দিয়ে বলে টিকেট নিয়েছেন কি?কৌতুহল বসত জিজ্ঞেস করলাম,রোগীর অবস্থাতো খারাপ এখন আবার টিকেট নিয়ে টানাটানি কেন?উত্তরে বলে উঠলো, টিকেট ছাড়া হাসপাতালে প্রবেশ করা যাবেনা।তার কথা মতো ৫ টাকা দিয়ে একটা টিকেট নিয়ে ঢুকতে যাচ্ছিলাম তখনই সিকিউরিটি আবার বলে ডাক্তার দেখার জন্য আরেকটা টিকেট প্রয়োজন।আমি বললাম,আচ্ছা আরেকটা টিকেট নিচ্ছি ১০ টাকা দিয়ে টিকেট নেওয়ার পর ডাক্তার দেখালাম।ডাক্তার ভর্তি দিল। এখন আবার টিকেটের পালা।ভর্তির জন্য আবারো ১০ টাকা দিয়ে টিকেট কিনলাম।

টিকেট নিয়ে চতুর্থ তলায় যাওয়ার নির্দেশ দেন ডাক্তার। যাওয়ার পর মহিলা কেবিনে আমার দাদুকে ভর্তি করালো।এবার আসলো আরেক বিপদ।সিট ম্যানেজ করতে হবে।আপাতত দাদুকে একটা জায়গায় বসিয়ে ওয়ার্ড কর্মচারী কে সিটের ব্যাপারে জানালাম।সে একটা সিট ম্যানেজ করে দিল।তবে আমার ভাগ্য খুবই ভালো, অনেকেই সিট পায়না।ওয়ার্ড কর্মচারীদের কিছু টাকা দিলে কিন্তু সিট মিলে যায়।যা আমার সামনেও কয়েকবার ঘটে গেল।

সিট নিয়ে দাদুকে শুয়ে দিয়ে আবার ডাক্তার নিয়ে টানাটানি। ট্রিটমেন্ট দেওয়ার জন্য নার্স ডাকতে হলো।নার্স দাদুকে ট্রিটমেন্ট দেওয়ার সময় হঠাৎ আমার নজর গেল পাশের সিটে।১৪ নাকি ১৫ বছরের একটা মেয়ে বারবার চিৎকার দিয়ে ওঠে। কৌতুহল বসত জানতে চায়লাম তার কি হলো।তার একজন অবিভাবক বলল,সে নাকি বিষ পান করেছে।অল্প বয়সে বিয়ে দিতে চাওয়াতে আত্মহত্যা কর‍তে চেয়েছিল।

হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে প্রায় তিন দিন আগে।পর্যাপ্ত চিকিৎসার অভাবে এখনো সুস্থ হতে পারছেনা।প্রাইভেট হাসপাতালে যেখানে তাৎক্ষণিকভাবে উন্নতমানের চিকিৎসা পাওয়া যায় সেখানে তিন -চার দিন পরেও সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা মেলেনা।

দিনে ডাক্তার আসে একবার।সকাল ৮ টার দিকে ডাক্তাররা এসে দেখে গেল প্রতিটা রোগীকে।কি দেখে বা কেমন দেখে আমি জানিনা।এসে শুধু ফাইলটা চেক করে তারপর কিছু ওষুধ লিখে দিয়ে চলে যায়।সারাদিন কোন খোজ খবর থাকেনা।দুই বার নার্স এসে ওষুধ বা ইঞ্জেকশন দিয়ে যায়।ডিউটি ডাক্তার ২৪ ঘন্টা থাকলেও তারা তাদের রুমে সীমাবদ্ব

একটা সরকারি হাসপাতালের অবস্থা যদি এটা হয়,যদি একজন রোগীর চিকিৎসা পেতে এত সময় লাগে বা রোগীকে এন্ট্রি করাতে দৌড়াদৌড়ি করে দুই তিন জায়গা থেকে টিকেট নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করা লাগে তাহলে মানবতা নামক জিনিসটা আজ কোথায়?যাদের ধনসম্পদ আছে তারা হয়তো প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পারে কিন্তু গরীব-দুঃখী মানুষের তো সরকারি হাসপাতালেরই সেবা গ্রহণ করতে হয়।তাদেরও বাঁচার অধিকার আছে।

লেখকঃ আব্দুল্লাহ আল নোমান

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ‘ক্রিকেট ক্লাব’


অধরা জামান লাবনী, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
কোভিড -১৯ এর কারণে পুরো বিশ্ব বিচলিত হয়ে পড়েছে,যা ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এতে প্রভাবিত হয়েছে। ক্রিকেট ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় (সিবিই) এমন একটি জায়গা যেখানে ক্লাবের সদস্যরা ক্রিকেটের জন্য বাস করেন। বলা চলে ক্রিকেট যার প্রাণ কেন্দ্র। এটি মূলত একটি আউটডোর খেলা এবং ক্লাবটি মহামারীর কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। খেলোয়াড়দের ফিটনেস প্রশ্নবিদ্ধ, কারণ কোনও আউটডোর সেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। যথাযথ অনুশীলন না করে, তারা মাঠে নামা কঠিন মনে করবে না।

এই মহামারীটির আরও উল্লেখযোগ্য এবং দুর্ভাগ্যজনক অংশটি হলো ক্লাবের সদস্য এবং খেলোয়াড়রা, তাদের পরিবারের সদস্যরা সহ , কোভিড -১৯ দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন। এই সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে সিবিইউ তার সদস্যদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তাদের স্তরের সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। সব মিলিয়ে, ক্লাবটি তার অন্যতম খারাপ সময় পার করছে।

এই মহামারী মোকাবেলা করা সহজ নয়। তা সত্ত্বেও ক্লাবের প্যানেল মেম্বাররা কোয়ারেন্টাইন এর সর্বোচ্চ ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খেলোয়াড়রা বাড়িতে থাকতে তাদের ফিটনেস বজায় রাখতে পারে তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করার জায়গা রয়েছে। একই সাথে, লাইভ কুইজ,ক্রিকেট সম্পর্কিত মিটিং শুরু করা হয়েছে। সিবিইউ এর খেলোয়াড়দের উদ্বুদ্ধ করার জন্য জাতীয় স্তরের খেলোয়াড়দের কাছ থেকে কিছু মূল্যবান পরামর্শ পাওয়ার জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে। বিভিন্ন কর্পোরেট টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া অসংখ্য প্রাক্তন সদস্য এবং খেলোয়াড়দের দেওয়া পরামর্শ এবং নির্দেশিকা এই মহামারী চলাকালীন সময়ে, বর্তমান সদস্যদের জন্য দুর্দান্তভাবে কাজ করছে।

এই মহামারীটির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করার জন্য এবং ক্লাবটির সুবিধাবঞ্চিত খেলোয়াড়দের জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগও নিয়েছিল যারা এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বেকার ছিল। যেহেতু এই মুহুর্তে আউটডোর সেশনগুলি সম্ভব নয়, তাই সিবিইউ তার খেলোয়াড়দের দক্ষতা এবং ক্রিকেটের জ্ঞান অর্জনের জন্য ক্রিকেটের সাধারণ জ্ঞান সম্পর্কিত অধিবেশন পরিচালনা করবে। এমনি জানিয়েছেন ক্লাব কতৃপক্ষ।

১৭ অক্টোবর থেকে যবিপ্রবিতে অনলাইনে পরবর্তী সেমিস্টারের ক্লাস শুরু

মো. আল জুবায়ের রনি, যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) অনলাইনে আগামী ১৭ অক্টোবর পরবর্তী সেমিস্টারের ক্লাস শুরু হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ডাটাবেজ ও ব্যবস্থাপনায় ক্লাস নেওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে সকল শিক্ষককে কারিগরি প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নিয়মিত শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে প্রাতিষ্ঠানিক ‘জি-সুইট’ ইমেইল অ্যাড্রেস।

আজ বুধবার দুপুরে যবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম রিজেন্ট বোর্ডের ৬২তম বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈশ্বিক মহামারীর কারণে সদস্যদের অনেকে জুম অ্যাপসের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি এবং অনেকে স্বশরীরে রিজেন্ট বোর্ডের সভায় অংশ নেন।

রিজেন্ট বোর্ডের বিশেষ সভায় জানানো হয়, করোনা অতিমারীতে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশনা অনুযায়ী যবিপ্রবি পরবর্তী সেমিস্টারের ক্লাসসমূহ অনলাইনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৭ অক্টোবর থেকে অনলাইনে ক্লাস শুরুর পূর্বে আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগকে শিক্ষার্থীদের ‘কোর্স বণ্টন’ সমাপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের কোর্স রেজিস্ট্রেশন, সেমিস্টার ফিস ও অন্যান্য ফি সমূহ জমা দেওয়ার তারিখ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা স্বশরীরেও বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে কিংবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ফি সমূহ জমা দিতে পারবেন।

রিজেন্ট বোর্ডের সভায়, আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে যবিপ্রবির সকল নিয়মিত শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ‘জি-সুইট’ ইমেইল অ্যাড্রেস দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেল সকল কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। শিক্ষার্থীরা এ ইমেইল অ্যাড্রেসের মাধ্যমে ই-মেইল ছাড়াও গুগল ড্রাইভ (আনলিমিটেড স্টোরেজ সুবিধা), গুগল ক্লাসরুম, গুগল মিটসহ অন্যান্য ২৮টি সার্ভিস ব্যবহার করতে পারবেন। এ ‘জি-সুইট’ ইমেইল অ্যাড্রেসের মেয়াদ হবে কোনো শিক্ষার্থীর শিক্ষা কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর পরবর্তী এক বছর পর্যন্ত। এর আগে অনলাইন ক্লাসের নেওয়ার বিষয়ে যবিপ্রবির ৩২তম একাডেমিক কাউন্সিলের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ ও আলোচ্য বিষয়গুলো ৬২তম রিজেন্ট বোর্ডের বিশেষ সভায় পাশ করা হলো।

যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত রিজেন্ট বোর্ডের সভায় যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল মজিদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) এ কে এম আফতাব হোসেন প্রামানিক, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) জাবেদ আহমেদ, সাভারের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির মহাপরিচালক ড. মো: সলিমুল্লাহ, যশোরের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ মতিয়ার রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবির, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. এম. এ. রশীদ, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোল্লা আমির হোসেন, যবিপ্রবির ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান, কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. বিপ্লব কুমার বিশ্বাস, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদ, বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেন, সরকারি এম এম কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত), সরকারি সিটি কলেজের অধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন ইউএনও ওয়াহিদা খানম

আনোয়ারুল ইসলাম, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: পুরো একমাস হাসপাতালে থাকার পর দুর্বৃত্তের হামলায় গুরুতর আহত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমকে বৃহস্পতিবার রিলিজ দেওয়া হচ্ছে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, তার অবস্থা এখন অনেক ভালো। তিনি এখন একা একাই চলাফেরা করতে পারছেন। তেমন রিস্ক ফ্যাক্টর নেই।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নিউরো ট্রমা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. জাহেদ হোসেন কালের কণ্ঠকে জানান, ওয়াহিদা খানমের ব্রেনের একটি অংশ পুরো প্যারালাইজড ছিল, সেটার এখন যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। ফলে তিনি এখন অন্য কারোর সাপোর্ট ছাড়া একা একাই হাঁটতে পারছেন। হালকা একটু সমস্যা যা রয়েছে আশা করা যায় পরবর্তীতে ফিজিওথেরাপিসহ অন্যান্য চিকিৎসা নিলে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যাবেন।

অধ্যাপক ডা. জাহেদ হোসেন বলেন, কোনো রকমের জড়তা ছাড়া আগে থেকেই তিনি কথাবার্তা বলতে পারতেন। এখন তেমন কোনো রিস্ক ফ্যাক্টর নেই। ফলোআপ চিকিৎসা এবং ফিজিওথেরাপি নেওয়াই এখন প্রধান কাজ। সেটা উনারা চাইলে সিআরপিতে নিতে পারেন, চাইলে বাসাতেই থাকতে পারেন।

গত ১ সেপ্টেম্বর ঘোড়াঘাট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমকে হামলার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে রংপুরের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে ঢাকায় এনে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালে ভর্তি করা হয়। তাঁকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এরপর গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে মস্তিষ্কে জটিল অপারেশন পরিচালনা করেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নিউরো ট্রমা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. জাহেদ হোসেন ও তাঁর টিম। চিকিৎসকরা জানান, তার মাথায় ৯টি আঘাতের চিহ্ন ছিল। আঘাতগুলো হ্যামার (হাতুড়ি) জাতীয় কিছু দিয়ে হয়েছে বলে মনে করছিলেন তারা। মাথার খুলি ভেঙে মস্তিষ্কের ভেতরে ঢুকে গিয়েছিল।

সম্প্রতি ওয়াহিদা খানমকে বদলি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। একই সঙ্গে রংপুরের পীরগঞ্জে ইউএনও হিসেবে কর্মরত তার স্বামী মো. মেসবাউল হোসেনকেও ঢাকায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

মেসভাড়া মওকুফের দাবিতে নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

আল নোমান, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি: মেসভাড়া মওকুফের কিংবা মেসভাড়া সম্পর্কে দুশ্চিন্তা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বুধবার(৩০ ই সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনারের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা হাতে ব্যানার নিয়ে এ মানববন্ধন পালন করে।মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের মেসভাড়া মওকুফের জোর দাবী জানানো হয়। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা প্রায় আটমাস মেসে অবস্থান করেনা।যার ফলে অনেকেই এই মেসভাড়া বহন করতে পারছেনা।

পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে এবং উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ দিদার-উল-আলমের সাথে বিষয়টি নিয়ে সাক্ষাৎ করে।

মানববন্ধনে সাধারণ শিক্ষার্থী সুলতান শাহজাহান বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের মেসভাড়া বিষয়ে মানববন্ধন শেষে প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি। প্রশাসন আমাদের আগামী সপ্তাহে সমাধানের আশ্বস্ত করেছে। কিন্তু পূর্বেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে আর বিষয়টি সমাধান করছেনা। যার ফলে শিক্ষার্থীরা আরো বেশী ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। প্রশাসন যদি আগে থেকে আশ্বস্ত না করতো তাহলে শিক্ষার্থীরা কোনোভাবে সমাধানের চেষ্টা করত। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবী বিষয়টি দ্রুত সমাধান করলে শিক্ষার্থীদের জন্য মঙ্গল হবে।

নোবিপ্রবি শিক্ষার্থী আরিফুল হক তুহিন বলেন, শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতার অপেক্ষা করেও এখন পর্যন্ত কোনো সহযোগিতা পাচ্ছে না। ৬ মাস হয়ে গেল কিন্তু এখনো শিক্ষার্থীরা অপেক্ষা করে যাচ্ছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে মেসভাড়া সমস্যার দ্রুত সমাধান চাচ্ছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী আরমান আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা মেধার ভিত্তিতে ভর্তি হয়েছি। এখানে আমরা অধিকাংশ মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর প্রশাসন আমাদের অভিভাবক হিসেবে আমাদের প্রতি সুনজর রাখেনি। অনেক শিক্ষার্থীদের সাথে ভাড়া নিয়ে বাড়িওয়ালাদের সাথে কথার মিল না হওয়ায় মেস ছেড়ে দিতে হয়েছে। আমরা অতিবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে মেস ভাড়া মওকুফের বিষয়টি সমাধানের জোর দাবি জানাচ্ছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ দিদার-উল-আলম জানান, আমরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতেছি। আগামী সপ্তাহে মেস ভাড়া মওকুফের বিষয়টি নিয়ে বৈঠক করা হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসের জন্য ইন্টারনেট প্যাকেজের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা করা হবে।