পাবনার সুজানগর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি গঠন


মোঃ ফাহিম মোন্তাছির মামুন, পাবনা জেলা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল পাবনার সুজানগর উপজেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পাবনা জেলা যুবদলের সভাপতি মোসাব্বির হোসেন সঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমেদ হিমেল রানা সাক্ষরিত এক বিবৃতিতে জানান, সুজানগর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু ও সদস্য সচিব রিয়াজ মন্ডল।যুগ্ন আহ্বায়ক শফিউল আলম বাবু, শাজাহান শেখ, মানিক মোল্লা,এস এম রাসেল, রাশেদ খান,আবু জাকারিয়া তরঙ্গ,কেরামত আলী,মনজিল হোসেন মোল্লা, আব্দুর রাজ্জাক রাজা,শিপন মিয়া, শফিউল আজম শফি, মনিরুজ্জামান মনি, সুলতান মাহমুদ পক্ষি সহ ৩১ সদস্য বিশিষ্ট উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন করেন, জেলা যুবদলের সভাপতি মোসাব্বির হোসেন সঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমেদ হিমেল রানা।

নবগঠিত কমিটির আহবায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু ও সদস্য সচিব রিয়াজ মন্ডল জেলা যুবদলের সভাপতি মোসাব্বির হোসেন সঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমেদ হিমেল রানা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, আগামী দিনের যে কোনো আন্দোলন সংগ্রামে উপজেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ সক্রিয় ভাবে রাজপথে থেকে দলের নির্দেশ মোতাবেক যে কোন কর্মসূচি পালন করতে বদ্ধপরিকর। এছাড়া সুজানগর পৌর যুবদলের কমিটির আনোয়ার হোসেন মোল্লা আহ্বায়ক ও ফজলুল হক কে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ডের দাবিতে পাবনায় সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের মানববন্ধন


মোঃ ফাহিম মোন্তাছির মামুন, পাবনা জেলা প্রতিনিধি:
দেশব্যাপী চলছে ধর্ষণের মহামারী। ব্যাপক হারে যা বেড়ে চলেছে প্রতিনিয়ত। ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদন্ডের দাবিতে বিভিন্ন জেলাতে চলছে প্রতিবাদ মূলক কর্মসূচি। তারই ধারাবাহিকতায় দেশব্যাপী সংঘটিত যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে এবং ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদন্ডের দাবিতে পাবনায় মানববন্ধন করেছে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট পাবনা।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর- ২০২০) পাবনা প্রেসক্লাবের সামনে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট পাবনা’র সভাপতি আবুল কাশেম’র সভাপতিত্ত্বে ও ইছামতী থিয়েটার’র পরিচালক ভাস্কর চৌধুরীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান। বক্তব্যে বলেন ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি হিসেবে প্রকাশ্যে মৃত্যুদন্ডের জোর দাবি আজ প্রতিটি মানুষের চাওয়া আমি সে দাবীর প্রতি সমর্থন জানাচ্ছি।

সে সময় আরও বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট পাবনার যুগ্ম সম্পাদক ও উত্তরণ সাহিত্য আসর পাবনার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি গল্পকার আলমগীর কবীর হৃদয়, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী পাবনা’র সাধারণ সম্পাদক দিবাকর চক্রবর্তী, অতএব নাট্যগোষ্টির সভাপতি ফজলুল হক খান, দর্পন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান খোকন, পাবনা ব্যান্ড এ্যাসোসিয়েশন’র সভাপতি মাহবুবুল আলম লিটন, গণশিল্পী সংস্থা পাবনা’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডঃ মোসফেকা জাহান কনিকা, বিপ্লব ভৌমিক, শহীদ ফজলে রাব্বী স্মৃতি পরিষদের সাধারন সম্পাদক সালফি আল ফাত্তাহ, পাবনা রিপোর্টার্স ইউনিট’র সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহবুব মোর্শেদ বাবলা, তারুণ্যের অগ্রযাত্রা’র উদ্যোক্তা জুবায়ের খান প্রিন্স, সোনার বাংলা মা একাডেমি’র পরিচালক সুমন খান, রূপান্তর সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী’র সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাজহার, উত্তরণ সাহিত্য আসর পাবনা’র সহ সাহিত্য সম্পাদক শ্রী জীবন কুমার সরকার, গোধুলি আড্ডা’র সেলিম রেজা, পথ সাহিত্য’র সাধারণ সম্পাদক আর কে আকাশ প্রমুখ, উত্তরণ সাহিত্য আসরের সাংগঠনিক সম্পাদক রাফিদ আহমেদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শ্রাবন্তী মায়া, প্রচার সম্পাদক রেজা নাবিল, সদস্য আহাদুজ্জামান শাকিল প্রমুখ।

উক্ত মানববন্ধনে উত্তরণ সাহিত্য আসর পাবনা, যুগান্তর স্বজন সমাবেশ পাবনা, গ্রাম থিয়েটার বণমালী অঞ্চল পাবনা, ব্যান্ড এ্যাসোসিয়েশন পাবনা, তারুণ্যের অগ্রযাত্রা বাংলাদেশ সহ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট পাবনার জোট ভুক্ত ৩৩টি সংগঠনের সাথে বিভিন্ন সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠন এর শতাধিক সদস্য-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

গাংনী সীমান্তে ফেন্সিডিল ও ট্যাবলেট উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার,মেহেরপুরঃ মেহেরপুরের গাংনী সীমান্তে ফেন্সিডিল ও ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বিজিবি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজিবি সদস্যরা কাজিপুর ও তেঁতুলবাড়িয়া সীমান্ত থেকে ভারতীয় ফেন্সিডিল ও ট্যাবলেট উদ্ধার করে।
কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবি অধিনায়ক লে: কর্নেল ফরহাদ হারুন চৌধুরী বলেন,কাজিপুর বিওপি’র টহল কমান্ডার হাবিলদার মোঃ ইদ্রিস আলী এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মন্ডলপাড়া মাঠ নামক স্থানে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ১শ’ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮০ হাজার টাকা।

অপরদিকে তেঁতুলবাড়ী বিওপি’র টহল কমান্ডার হাবিলদার মোঃ এমরান হোসেন এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হাটপাড়া মাঠ নামক স্থানে চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ১ হাজার ৫ শ’ পিস গরু মোটাতাজাকরণ ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ট্যাবলেটের আনুমানিক বাজার মূল্যে, প্রায় ৩০ হাজার টাকা। ফেন্সিডিল ও ট্যাবলেট উদ্ধারের ঘটনায় জড়িতদের সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

নারী নির্যাতন ও নিপীড়নের প্রতিবাদে উত্তাল সৈয়দপুর


বাবলু ইসলাম, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় সৈয়দপুর প্রেসক্লাবের সামনে “সারাদেশব্যাপী নারী নির্যাতন ও নিপীড়নের প্রতিবাদে” সৈয়দপুরের চল্লিশটিরও বেশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অায়োজনে এবং সৈয়দপুরের আপামর জনসাধারণের অংশগ্রহণে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়ে বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের বক্তারা বক্তব্য পেশ করেন। তারা আরো বলেন এই রকম জঘন্যতম ঘৃণার কাজ আর যেন আমাদের দেশের আর কোন মা বোনদের সাথে না হয়, আমাদের মা-বোনেরা যেন নিরাপদে বাচতে চলতে পারে এসব বিষয়ের দাবি নিয়ে বক্তারা বক্তব্য রাখেন।

নান্দনিক অলওয়েদার সড়কের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী


ঝলক রায়, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
অপেক্ষার পালা শেষে অবশেষে উদ্বোধন হলো হাওরের বিস্ময় খ্যাত নান্দনিক অলওয়েদার সড়কের। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জের গভীর হাওরে নির্মিত ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম অলওয়েদার সড়কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

৮৭৪.০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৯.৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ হাওরের বুকে সারা বছর চলাচল উপযোগী সড়কটির উদ্বোধন উপলক্ষে মিঠামইন সদরের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অডিটোরিয়াম থেকে প্রধানমন্ত্রীর এই ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত হন স্থানীয় সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতির বড় ছেলে রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক সহ অন্যরা।

মিঠামইন প্রান্তে ভিডিও কনফারেন্স সঞ্চালনা করেন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুরুতেই কথা বলেন ৭৯ বছর বয়সী আব্দুর রহমান।

পরে একে একে সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, মিঠামইন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ আবদুল হক নূরু, অষ্টগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ফজলুল হক হায়দারী বাচ্চু, ইটনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইসমাইল হোসেন, পুনর্বাসিত ভিক্ষুক আফজাল হোসেন, দুর্যোগ সহনীয় ঘরের উপকারভোগী আকলিমা আক্তার এবং কৃষক আব্দুল মজিদ।

এ সময় পুলিশ সুপার মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ বিপিএম (বার), জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম এ আফজল, পিপি শাহ আজিজুল হক প্রমুখ সহ তিন উপজেলার প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

রাজারহাটে নারী নির্যাতন ও ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

মোঃ মোশাররফ হোসেন, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: বৃহস্পতিবার বিকেলে সারাদেশে চলমান নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ প্রতিরোধ ও ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রাজারহাট উপজেলায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় । মানববন্ধনের আয়োজন করেন ছাত্র সংগঠন রাজারহাট স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। এতে উপস্থিত হয়ে সংহতি প্রকাশ করেন বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষ ছাত্রলীগ, যুবলীগ, বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমাজ সহ রেল নৌ যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটি সহ বেশ কয়েকটি সংগঠন।

মানববন্ধনে বক্তারা পৃথক বক্তব্যে বলেন ধর্ষকদের কোনো দল নেই কোনো জাত নেই। তারা ধর্ষণ করে দলের ছত্রছায়ায় এসে নিজেকে বাচাতে চায় । ধর্ষকদের যদি কেউ আশ্রয় দেয় তাহলে তাদেরও শাস্তির বিধান চালু করার দাবিও জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রাজারহাট স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান সমন্বয়ক আবুল হাসনাত কানন সহ বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমাজের ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিবুল হক বসুনিয়া, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য রাজারহাট উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক আব্দুস সালাম, ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক সুমন কুমার রায়, যুবলীগ নেতা অজয় সরকার, গণকমিটি নেতা খন্দকার আরিফ, সংগঠক শামসুদ্দিন বসুনিয়া সুমন প্রমুখ।

নারী ধর্ষণ ও নির্যাতনের প্রতিবাদে দিনাজপুরে মানব-বন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

আনোয়ারুল ইসলাম, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দেশব্যাপী নারী ধর্ষণসহ নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে ও ধর্ষকদের গ্রেফতার করে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার দাবীতে দিনাজপুরে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে দিনাজপুর প্রেস্কলাবের সামনে “প্রতিবাদের প্রতিরোধের এখনই সময়, ধর্ষণের বিরুদ্ধে জাগো বাংলাদেশ”, “ধর্ষণের ফাঁসির পাশাপাশি ধর্ষক তৈরীর কারখানা চিহ্নিত করতে হবে” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে এসব সংগঠনের সদস্যরা মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করে।

নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনসহ দেশব্যাপী ধর্ষণসহ নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে দিনাজপুরের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পল্লীশ্রী দিনাজপুর প্রেসক্লাব সামনে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক শামিম আরা বেগম’র নেতৃত্বে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।

মানববন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি কানিজ রহমান, সাংস্কৃতিক কর্মী ও আমরাই পারি জেলা জোটের সদস্য তারিকুজ্জামান তারেক, জেলা দূর্নীতি দমন কমিশনের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রভাষক বদিউজ্জামান বাদল, ি দিনাজপুর টিআইবি’র সভাপতি হাজেরা বেগম, আমরাই পারি জেলা জোটের সদস্য প্রিয়াংকা রায়, পল্লীশ্রী’র প্রোগ্রাম ম্যানেজার শামসুন্নাহার, সৈয়দ মোস্তফা কামাল, এইচআর শামীমা পপি, ফাইন্যান্স ম্যানেজার মোঃ হুমায়ুন কবির ও মিনারা খাতুন প্রমূখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আর একজন নারী ও শিশু যদি ধর্ষিত হয় তাহলে সারাদেশে আগুন জ্বলবে। প্রত্যেক মানুষই স্বপ্ন দেখে তার নিরাপদ আবাসন, নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন, নিরাপদ সমাজ ব্যবস্থা। বর্তমানে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যই হচ্ছে “পিছিয়ে থাকবে না একটি মানুষও, এগিয়ে যাবে সবাই”। আর এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বাংলাদেশ যখন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই নারীর প্রতি চলমান বিভিন্ন নির্যাতনের সাথে যুক্ত হয়েছে ধর্ষন, গণধর্ষণ এবং ধর্ষণ পরবর্তি হত্যা। বক্তারা প্রকৃত অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচারের রায় কার্যকরা করার দাবী জানান। এ ছাড়া কালেরকন্ঠ শুভ সংঘ দিনাজপুর জেলা শাখা সহ আরো কয়েকটি সংগঠন একই দাবীতে বুহস্পতিবার সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছে।

ধর্ষণের প্রতিবাদে নওগাঁয় মানব বন্ধন ও প্রতীকী ফাঁসি মঞ্চায়ন

আবু ইউসুফ, নওগাঁ প্রতিনিধি :- সারাদেশে যেন বইছে ধর্ষণের অবাঞ্ছিত মৌসুমি হাওয়া । ধর্ষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার পুরো জাতি। তবুও যেন অপ্রতিরোধ্য ভাবে সংবাদে বিশেষ জায়গা করে নিচ্ছে বর্বরোচিত ধর্ষণের কাহিনী। অহরহ ভেসে আসছে নির্যাতিতার আর্তনাদ, ভারি হয়ে আসছে ইথার, ঘন হয়ে আসছে পাপের ভাঁড়ার।

এমতাবস্থায় পত্নীতলা উপজেলা সমিতি(পউস),পত্নীতলা, নওগাঁ – এরূপ পরিস্থিতির প্রতিবাদ জানায়। উদ্ভূত অনাকাঙ্ক্ষিত অবাঞ্ছিত পরিস্থিতির প্রতিবাদ স্বরূপ ৮ অক্টোবর, ২০২০ ইং এ পত্নীতলা উপজেলার প্রাণকেন্দ্র নজিপুর বাসস্ট্যান্ডে ‘পউস’ একটি “মানব বন্ধন ও প্রতীকী ফাঁসি মঞ্চায়ন ” আয়োজন করে।

উক্ত আয়োজনের সভাপতিত্ব করেন, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ জনাব আব্দুল খালেক চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, পত্নীতলা উপজেলা আওয়ামীলীগ। শিহাব আল মশিউর নহর এর সঞ্চালনায়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার,
জনাব শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, জনাব আব্দুল আহাদ(রাহাত), ভাইস-চেয়ারম্যান, পত্নীতলা উপজেলা পরিষদ। উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক, জনাব বজলুর রশিদ।

এসময় পউসের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, সিফাত রিজভী(তরুণ উদ্যোক্তা, সাবেক শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়),
মুনমুন সওদা(শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)

এসময় বক্তারা ধর্ষক-কে ‘৪র্থ লিঙ্গের অযাচিত প্রাণী’ বলে আখ্যায়িত করে বলেন, ” ধর্ষণ আজ একটি সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে এই ব্যাধি নিরাময় যেমন প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা তেমনি প্রয়োজন শাস্তির কঠোরতা। বিচারের দ্রুততম সুনিশ্চয়তা এবং সামাজিক উৎকর্ষতা সাধনের মাধ্যমে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সমাধন সম্ভব।”

উক্ত আয়োজন থেকে বক্তারা, ১৪ দফা দাবী পেশ করেন,

১. ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিতকরণ।
২. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের শতভাগ প্রয়োগ।
৩. ১০ কার্যদিবসের মাঝে চার্জশিট দাখিল।
৪. ৬০ কার্যদিবসের মাঝে বিচার প্রক্রিয়া সমাপ্তিকরণ।
৫. মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা এবং পাবলিক প্রসিকিউটরের মাঝে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে বিচার কার্য সহজতম করা।
৬. নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন।
৭. দেশের সর্বত্র মেডিকেল ফরেনসিক বিভাগ
উন্নতকরণ।

৮.ভুক্তভোগীর শিক্ষা,চিকিৎসা ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ।
৯. ধর্ষণ মামলা পশ্চাৎপদ করার জন্য যদি কেউ প্রভাবক স্বরূপ আবির্ভূত হয় তাহলে তাকেও আইনের আওতায় এনে শাস্তির বিধান করা।
১০. ধর্ষণ মামলার ভুক্তভোগী ও সাক্ষীর নিরাপত্তা বিধান সুনিশ্চিত করা।
১১. আসামি পক্ষের আইজীবীদের সংযত আচরণ করা।
১২. ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশের বিশেষ সেল গঠন এবং আঞ্চলিক বখাটেদের উপরে নিয়ন্ত্রণ আনয়ন।
১৩. নারীদের সিলাই প্রশিক্ষণের মতো সরকারিভাবে ক্যারাটে সহ আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
১৪. ‘ধর্ষণ’ জামিন অযোগ্য মামলা বলে বিবেচনা করা।

আয়োজনে পত্নীতলা উপজেলা সমিতি(পউস) এর দাবীর প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপনপূর্বক অংশগ্রহণ করেছে NCC(Nazipur Cricket Club)।

আয়োজনে শিক্ষার্থীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন প্রতিবাদ জানায়। সেই সাথে সরকারের প্রতি উদাত্ত আহবান জানায় যেন ধর্ষণের আইন সংশোধ করে এর শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করা হয়।

মানব বন্ধন শেষে একটি প্রতীকী ধর্ষককে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়। এই প্রতীকী ফাঁসির মাধ্যমে তাঁরা জানাতে চান যে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শুধু নয় বরং মৃত্যুদণ্ড হওয়া বাঞ্ছনীয়।

গাংনীতে মসজিদের মাইক সহ ৩ চোর আটক


স্টাফ রিপোর্টারঃ
মেহেরপুরের গাংনীতে মসজিদের মাইকের ইউনিট সহ তিন চোরকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টায় বামুন্দী জেদ্দা ইটভাটা এলাকা থেকে মাইকের ৫টি ইউনিট চুরির অপরাধে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন,বামুন্দী নিশিপুর গ্রামের বিনারুলের ছেলে আকাশ ইসলাম (২১),একই পাড়ার মতিয়ার রহমানের ছেলে সৌখিন ইসলাম (২৩) ও বালিয়াঘাট ফুটানি বাজার পাড়ার মিনারুলের ছেলে শাকিল হোসেন (২৪)।

বামন্দী বাজারের মসজিদের মুয়াজ্জিন মো: রিয়াজুল ইসলাম জানান,ভোরে ফজরের আজান দিতে মসজিদে যায়। মসজিদে যাওয়ার পর মাইক্রোফোন হাতে নেওয়ার কোন শব্দ না হওয়ায় বাইরে বের হয়ে দেখি মাইকের ঢোপ পড়ে আছে কিন্তু ইউনিট নেই বিষয়টি মসজিদ কমিটিকে অবগত করা হয়।

মসজিদ কমিটির সাধারন সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন,চুরির বিষয়টা সংবাদ পেয়ে বিভিন্ন স্থানে সন্ধান করি। পরে জানতে পারি জেদ্দা ইটভাটার কাছ থেকে ৫টি ইউনিট উদ্ধার ও ৩জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

আনসার ভিডিপির বামুন্দী ইউপি দলনেতা ফজলুল হক জানান,জেদ্দা ইটভাটার কাছে আকাশ নামের এক ছেলে একটি ব্যাগ নিয়ে টানাটানি করছে। বিষয়টি সন্দেহ হলে ব্যাগ খুলে ৫টি মাইকের ইউনিট দেখতে পেয়ে বামন্দী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই হেলাল ও এস আই ইলিয়াস হোসেকে জানালে দ্রত তারা ঘটনাস্থলে পৌছে তাকে আটক করে।

বামন্দী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই হেলাল ও এস আই ইলিয়াস হোসেন জানান, মসজিদের মাইকের ইউনিট চুরির বিষয়টি ভোরে শোনার পর থেকে চোর সনাক্ত ও ইউনিট উদ্ধারে জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় জেদ্দা ইটভাটার কাছে ইউনিট সহ চোর রয়েছে এমন সংবাদ পেয়ে তাদের আটক করে ইউনিট উদ্ধার করা হয়। পরে আকাশের মাধ্যমে তার দুজন সহযোগিকেও আটক করা হয়।

গাংনী থানার ওসি মো: ওবাইদুর রহমান,বামন্দী বাজারের একটি মসজিদের মাইকের ইউনিট চুরির ঘটনায় ৩জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনার সাথে অন্যকেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে।

এবার উদ্যোক্তা হচ্ছেন সেই রিকশাচালক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক গণমাধ্যমের তোলা ফজলুর কান্নার বেশ কিছু ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়। তার এই কান্নার প্রধান কারণ ছিল সঙ্কটকালের অবলম্বন রিকশাটি হারানোর কারণে। তার কান্নার ছবি চোখে পড়ে স্বপ্ন’র নির্বাহী পরিচালক সাব্বির হাসান নাসিরের।

তিনি সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলার পর গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় সেই ফজলুরের সঙ্গে দেখা করেন স্বপ্ন’র হেড অব মার্কেটিং তানিম করিম, মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান শাহ মো. রিজভী রনী এবং মিডিয়া-পাবলিক রিলেশন ম্যানেজার কামরুজ্জামান মিলু।

পরে স্বপ্নের উদ্যোগে উদ্যোক্তা হওয়ার বিষয়টা জানার পর ফজলুর রহমান রাজী হওয়ার পাশাপাশি বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। কারণ তিনি এখন দুটি রিকশার মালিক। আরও একটি রিকশা একজন তাকে সহযোগিতা করবেন বলেও জানান তিনি। এই রিকশাগুলো স্বপ্ন’র হোম ডেলিভারি সার্ভিসে কাজে লাগাতে চান তিনি, হতে চান একজন উদ্যেক্তা। সেইসঙ্গে স্বপ্ন’র অফার লেটারও হাতে তুলে নেন। এটি তার হাতে বুধবার সন্ধ্যায় তেজগাঁও এর এক রেস্তরাঁয় স্বপ্ন’র পক্ষ থেকে হাতে তুলে দেন মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান শাহ মো. রিজভী রনী। আর এভাবেই স্বপ্নের উদ্যোগে উদ্যোক্তা হচ্ছেন এবার সেই রিকশাচালক ফজলুর রহমান।

বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ফজলুর রহমান বলেন, ‘আমার দেশের বাড়ি কুমিল্লা। একটা সময় সিএনজির গ্যারেজে কাজ শিখতাম। তারপর টুকটাক করে টাকা জমিয়ে ধার করে রিকশাটা কিনেছিলাম। সেই রিকশা হারানোর পর কি কষ্ট হচ্ছিল বোঝাতে পারবো না। কিন্তু আজ আমার খুব ভালো লাগছে। ভেতরের আনন্দটা এখন আর বোঝাতে পারব না। ভালো একজন উদ্যোক্তা হয়ে ব্যবসটা ভালোভাবে চালিয়ে যেতে চাই। স্বপ্নকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’