বীরগঞ্জে ধর্ষকের বিচার সহ গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন


আনোয়ারুল ইসলাম, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
বীরগঞ্জে ৭ অক্টোবর সারাদেশে সংঘটিত ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষকের বিচার ও গ্রেফতারসহ ফাঁসির দাবিতে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন কর্মসুচী পালন করা হয়েছে। গত বুধবার সকালে বীরগঞ্জ পৌরসভার মুক্তিযুদ্ধের বিজয় চত্বরে এক্সচেঞ্জ ব্লাড ব্যাংক, পাবলিক লাইব্রেরি ও ঢাকাস্থ এসএবিডি’র আয়োজনে সারাদেশে সংঘটিত ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষকদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব জাকারিয়া জাকা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কৃষি ও সমবায় উপ-কমিটির সদস্য আবু হুসাইন বিপু, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রোকুনুজ্জামান বিপ্লব, এক্সচেঞ্জ ব্লাড ব্যাংকের সভাপতি মোঃ সোহাগ ইসলাম, সাধারন সম্পাদক মোঃ গোলাম মুর্শিদ। এ ছাড়াও রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের শতশত নেতাকর্মী, শিক্ষার্থী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অন্যরা উপস্থিত ছিলেন ।

দেশব্যাপী ধর্ষণের প্রতিবাদে বোরহানউদ্দিনে বিডিএস এর মানববন্ধন

সিলেটের এমসি কলেজে এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণসহ দেশব্যাপী বর্বরোচিত নিপিড়ন, নির্যাতনের প্রতিবাদে ভোলা জেলার বৃহত্তম সামাজিক সংগঠন ভোলা যুব ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বিডিএস) এর আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৭ অক্টোবর বুধবার সকাল ১০ টায় এ মাবনবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সেখানে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, আব্দুল জব্বার কলেজেরর প্রভাষক নাসির পাটোয়ারি, বিডিএস এর জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন মুন্না, সদস্য সচিব জিএম সানাউল্লাহ, সাংবাদিক মিজানুর রহমান, সাংবাদিক মমিনুল ইসলাম, বোরহানউদ্দিন উপজেলা শাখার যুগ্ন আহ্বায়ক তামিম বাইজিদ, হেলাল উদ্দিন নয়ন। এছাড়াও বিডিএসের দৌলতখান শাখার আহ্বায়ক মোঃ রিপন, সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন সাজু প্রমুখ।

ভোলা জেলার বৃহত্তম সামাজিক সংগঠন ভোলা যুব ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বিডিএস) কতৃক আয়োজিত বর্তমান দেশের সময়সাময়িক ধর্ষণ এর বিষয়বস্তু ও বিচারকার্যের দাবি-দাওয়া নিয়ে বোরহানউদ্দিন শাহবাজপুর প্রেসক্লাবের সামনে সকাল১০-৩০ মি: এর সময় একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

বিডিএস এর বোরহানউদ্দিন শাখার সদস্য সচিব মুজাহিদ শামীমেরর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশে ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনা মহামারি আকার ধারণ করেছে। এ থেকে উত্তরণের জন্য ধর্ষক ও ধর্ষকদের প্রশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। দেশে আইন করে ধর্ষণ ও হত্যাকারীদের ক্রস ফায়ারের আওতায় আনতে হবে।

এছাড়াও দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ধর্ষণের বিচারসহ বিভিন্ন দাবী তুলে ধরে বক্তারা বলেন একের পর এক শিশুসহ নারীরা ধর্ষিত হচ্ছে। কিন্তু তাদের শাস্তি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। যার কারণে ধর্ষকরা দিনে দিনে সাহস পেয়ে ধর্ষণের সংখ্যা বেড়ে গেছে। তাই দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। তবেই ধর্ষকরা ধর্ষন করা সাহস পাবে না।

এসময় বিডিএসের পক্ষ থেকে বক্তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন:

০১. তিন মাসের মধ্যে ধর্ষনের বিচার কার্য সম্পাদন করতে হবে।
০২. প্রকাশ্য ফাঁসির আইন মহান জাতীয় সংসদে পাস করতে হবে।
০৩। ধর্ষন হলেই ধর্ষনের মামলা দ্রুত ট্রাইবুনালে প্রেরন করতে হবে।
০৪। ধর্ষন মামলার বিচাকার্য শেষ করার জন্য আলাদা বিচারিক আদালত গঠন করতে হবে।
০৫। ধর্ষন বন্ধে নতুন আইন প্রনয়ন করতে হবে

ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে কবি নজরুল কলেজ ছাত্রলীগের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

কবি নজরুল কলেজ প্রতিনিধি: বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নির্দেশে ধর্ষনের প্রতিবাদে কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ কতৃক আয়োজিত মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচী।আমাদের একটাই দাবি ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা।

সারাদেশে ধর্ষন যৌন হয়রানি সাথে জরিতোদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চত করার জন্য কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ কতৃক মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়। উক্ত কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি বি এম নাজমুল ইসলাম আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক সহ-সভাপতি (আল-মারুফ,নূর, মো: সুমন,মো:ফারুক হোসেন,মো:শেখ রিফাত,মো:রাসেল ও সজল মজুমদার ) সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো:সাগর সম্পাদক (মো টিটব খান,মো বাপ্পি) উপ-সম্পাদক(ইয়াসিন আল-অনিক,মো সরোয়ার হোসেন)প্রমূখ ছাড়াও শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সাবেক সহ-সভাপতি বি এম নাজমুল ইসলাম বলেন যে বাংলাদেশের মাটিতে ধর্ষকের কোন ঠাই নাই। আমরা কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করছি।

হাতিয়ার চরচেঙ্গা বাজার যুব সমাজের উদ্যোগে ধর্ষণ বিরোধী মানববন্ধন


তামজিদ উদ্দিন, হাতিয়া – নোয়াখালী:
নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলায় স্থানীয় চরচেঙ্গা বাজারে ধর্ষণ বিরোধী মানববন্ধন করেন যুব সমাজ ও ছাত্র সমাজ।

বেলা ১০ টায় স্থানীয় চরচেঙ্গা বাজারের দক্ষিণ মাথা থেকে, চল যাই যুদ্ধে ধর্ষণের বিরুদ্ধে স্লোগান নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে অবস্থান করেন ছাত্র সমাজ।

পুরো মানববন্ধন পরিচালনা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আব্দুর রহমান।তিনি বলেন, ধর্ষণ এড়াতে প্রতিটি ইউনিয়নে ইউনিয়নে কমিটি গঠন করা উচিত।

মানববন্ধনে আরো অংশ গ্রহণ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আনোয়ার উল্যাহ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ করিম সাজিদ প্রমুখ।

সাজিদ বলেন, ধর্ষণ যত মামলা ঝুলানো আছে আগামি ছয় মাসের মধ্যে তাদের কে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

কুড়িগ্রামে ধর্ষকদের গ্রেফতার ও ফাসির দাবিতে বহ্নিশিখার মানববন্ধন

জাকির হোসেন, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং ধর্ষকের সর্ব্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে কুড়িগ্রামে ৭দফা দাবি ঘোষণা ও মানববন্ধন করেছে পরিবেশবাদী যুব সংগঠন গ্রীন ভয়েসের ছাত্রী সংগঠন বহ্নিশিখা।

৭ অক্টোবর (বুধবার) বেলা ১১ টার দিকে কুড়িগ্রাম শাপলাচত্বরে গ্রীন ভয়েস এর নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি বহ্নিশিখার আয়োজনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বহ্নিশিখা কুড়িগ্রামের সদস্য সুমনা রানী দাশ এর সভাপতিত্বে, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ফরিদ এর সঞ্চালনায় শাপলাচত্বরে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির উপদেষ্টা দুলাল বোস, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা নয়ন সরখেল, বেরোবি শাখার সভাপতি সোহানুর রহমান, হাবিপ্রবি শাখার সহ-সভাপতি রবিউল ইসলাম রুবেল, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ শাখার সদস্য মাহমুদ হোসেন, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সদস্য কলি আক্তার, সাধারণ সম্পাদক সুজন মোহন্ত, সভাপতি রাইসুল ইসলাম নোমান, প্রমুখ।

ভূরুঙ্গামারীতে কলেজ মোড় এলাকায় ভুরুঙ্গামারী সরকারি কলেজ শাখা একই সময়ে মানববন্ধন করেন, এসময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক লিমন আহমেদ, হাবিপ্রবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার তুর্য্য লিটন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন মাহমুদ, সদস্য রোকনুজ্জামান, সদস্য শামীম রানা, সদস্য আরাফাত জিম।

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে গ্রীন ভয়েস ধর্ষণের বিচার আলাদা ট্রাইব্যুনালে গঠন, সর্ব্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যূদন্ড, ধর্ষণকে জামিন অযোগ্য বলে ঘোষণা, শিশুদের ধর্ষণের ঘটনা ঘটলে সরকারিভাবে চিকিৎসা খরচ সহ ৭ দফা দাবি জানান তারা।

গাংনীতে দৃর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে ভস্মীভূত গোডাউনের মালামাল


স্টাফ রিপোর্টার, মেহেরপুরঃ
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রাইপুর ইউনিয়নের বড় বামন্দী গ্রামে ইসমাইল হোসেন নামের এক ব্যবসায়ীর গোডাউনে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার মধ্য রাতে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে ইসমাইল হোসেনের মোটরসাইকেল,পাট,ধান,গম,মসুর,খেসারসহ আনুমানিক ১২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে।
ইসমাইল হোসেন বড় বামন্দী (কড়ই-গাছি) গ্রামের আব্দুর সাত্তারের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান,গোডাউনে পাশে বসবাসকারী কালাম নামের একজন মধ্যরাতে ঘুম থেকে উঠে গোডাউনের মধ্য আগুন দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীদের খবর দেয়।

গোডাউন মালিক ইসরাইল হোসেন জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যারাতে গোডাউল বন্ধ করে বাড়িতে চলে আসি। তারপর মধ্যরাতে গ্রামের কয়েকজন আমাকে জানায় গোডাউনে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে অনেক ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখছি গোডাউনের মধ্য রাখা মালামালে আগুন জ্বলছে। স্থানীরা চেষ্টা করে আগুন নেভাতে না পারলে,বামন্দী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়া হয়।
ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পৌঁছানোর আগেই গোডাউনে রাখা মোটরসাইকেল,ধান-পাট,গম,মসুর,খেসারসহ প্রায় ১২ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।শক্রতাবশত আমার গোডাউনে আগুন দিয়েছে।

অগ্নিকান্ডের ঘটনার খবর পেয়ে রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন গাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমান।

গাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমান জানান,যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত আছে তাদের সনাক্ত করতে পুলিশের একাধিকদল মাঠে নেমেছে। আগুনে পুড়ে যাওয়া আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

গাংনীতে এক ফেন্সিডিল ব্যবসায়ী আটক


স্টাফ রির্পোটার, মেহেরপুরঃ
মেহেরপুরের গাংনীতে মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে সজীব নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে উপজেলা সহড়াতলা বিজিবি সদস্যরা।আটক সজীব কাজিপুর রিফুজি পাড়ার মহিউদ্দিনের ছেলে।

বুধবার ভোরের দিকে সহড়াতলা বিজিবির একটি টহল দল সজীবকে আটক করে।এ সময় তার কাছ থেকে ২৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।

সহড়াতলা বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বিজিবি হাবিলদার শাহিন উদ্দিনের নেতৃত্বে বিজিবির একটি টহল দল টহল শেষ করে ফেরার পথে পথিমধ্যে সজীবকে আটক করে, এ সময় তার কাছ থেকে ২৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।

দেশব্যাপী ধর্ষণ ও গণধর্ষণের বিরুদ্ধে হাতিয়ার ১২ টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মানববন্ধন

তামজিদ উদ্দিন, হাতিয়া- নোয়াখালী: সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সিলেটের এম সি কলেজ ও নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ সহ সারা দেশের ধর্ষণের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেন হাতিয়া বাসী।

সকাল ১১ টায় হাতিয়া সুপার মার্কেট থেকে হাতিয়া প্রেস ক্লাবের দিকে, নিরাপদ সমাজ চাই, ধর্ষকদের ফাঁসি চাই স্লোগানে মুখরিত করে মানববন্ধন নিয়ে এগিয়ে যান হাতিয়ার সর্বস্তরের জনগণ।

উক্ত মানববন্ধনে অংশ গ্রহণ করেন হাতিয়ার ১২ টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য বৃন্দ। সবার দাবি ছিল, নিরাপদ সমাজ চাই, ধর্ষকদের ফাঁসি চাই। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলোর মধ্যে ছিল, সোনাদিয়া শান্তি সংঘ, আলোর মশাল ও দীপাঞ্চল হাতিয়া ইত্যাদি।

সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালা করেন জিল্লুর রহমান (সাংবাদিক)। অনুষ্ঠানের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আরো কাজ করেন প্রতিটি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক।

ধর্ষণের বিরুদ্ধে সোনাদিয়া শান্তি সংঘের সাধারণ সম্পাদক তামজিদ বলেন, কোন রাজনৈতিক দলের দোহাই দিয়ে ধর্ষক কে ছাড় দেওয়া যাবে না।ধর্ষক যেই দলের হোক না কেন সে ধর্ষক! তার সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

অনুষ্ঠান পরিচালক জিল্লুর রহমান বলেন, আমাদের বাংলায়, ধর্ষকদের ঠাই নাই। তাদেরকে শুধু গ্রেফতার করলে হবে না দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি (ক্রসফায়ার) দেওয়া হোক।

সবশেষে অনুষ্ঠান পরিচালক মানববন্ধনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

দেশে বেড়েই চলেছে করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্ত

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ হাজার ৪৪০ জনে। এ ছাড়া নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ৫২০ জনের দেহে। এখন পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্ত হলো ৩ লাখ ৭৩ হাজার ১৫১ জন করোনা রোগী।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ দিন সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭৯৮ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৮৬ হাজার ৬৩১ জন।

এর আগে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দেশে আরও ১ হাজার ৪৯৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এ ছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান আরও ৩০ জন।

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১০ লাখ ৫৪ হাজার ৬০৪ জনের এবং আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ ৪১ হাজার ৭৮৩ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ কোটি ৭১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২৬ জন।

বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে, ২ লাখ ১৫ হাজার ৮২২ জন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে। এ নিয়ে ৭৭ লাখ ২২ হাজার ৭৪৬ জন এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন।

করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় দ্বিতীয় এবং মৃতের সংখ্যায় তৃতীয় অবস্থানে আছে ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭ লাখ ৫৪ হাজার ১৭৯ জন। এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এক লাখ ৪ হাজার ৫৯১ জন।

করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় তৃতীয় এবং মৃতের সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ব্রাজিল। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯ লাখ ৭০ হাজার ৯৫৩ জন। এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এক লাখ ৪৭ হাজার ৫৭১ জন।

করোনায় মৃতের দিক থেকে চতুর্থ অবস্থানে মেক্সিকো। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮২ হাজার ৩৪৮ জন। আর এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে ৭ লাখ ৯৪ হাজার ৬০৮ জন।

আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ অবস্থানে আছে রাশিয়া। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১২ লাখ ৩৭ হাজার ৫০৪ জন। আর মৃতের সংখ্যা ২১ হাজার ৬৬৩ জন।

সুস্থতার দিক থেকে প্রথম অবস্থানে উঠে এসেছে ভারত (৫৭ লাখ ৪১ হাজার ২৫৩ জন), দ্বিতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র (৪৯ লাখ ৩৫ হাজার ৫৪৫ জন), এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে ব্রাজিল (৪৩ লাখ ৫২ হাজার ৮৭১ জন)।

গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৫টি দেশে ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।

অভয়নগরের ভৈরব-উত্তর জনপদের ত্রাস উজ্জ্বল পুলিশের হাতে গ্রেফতার

অরজিৎ মন্ডল,নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের অভয়নগর উপজেলার ভৈরব-উত্তর জনপদের মূর্তমান আতংক সাজ্জাদ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমা- হত্যা, ডাকাতিসহ অর্ধডজনেরও অধিক মামলার আসামী উজ্জ্বলকে আটক করেছে অভয়নগর থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার পায়রা গ্রাম থেকে অভয়নগর থানা পুলিশ তাকে আটক করে। পুলিশের তালিকাভুক্ত এ সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন যাবৎ পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে ছিলো।

সম্প্রতি এলাকায় ফিরে সে আবারও স্থানীয় নিরীহ মানুষের উপর অত্যাচার, চাঁদাবাজী শুরু করার পাশাপাশি বাহিনী গোছানোর কাজ শুরু করে। সে ৪ টি মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী বলে অভয়নগর থানা পুলিশ জানায়।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানাগেছে, যশোরের অভয়নগর উপজেলার ভৈরব উত্তর জনপদের মানুষের কাছে আতংকের নাম ছিলো ‘সাজ্জাদ বাহিনী’। এ বাহিনীর খুন, চাঁদাবাজী, ডাকাতি ও লুটতরাজে স্থানীয়রা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলো।

পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৮ জুলাই কেশবপুর উপজেলায় দুই দল সন্ত্রাসী বাহিনীর সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় অভয়নগরের সাজ্জাদ বাহিনী প্রধান সাজ্জাদ। এর পর থেকেই গা- ঢাকা দেয় সাজ্জাদ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড উপজেলার শংকরপাশা গ্রামের আবুল গাজীর ছেলে উজ্জ্বল হোসেন।

দীর্ঘদিন গা- ঢাকা দিয়ে থেকে ভিতরে ভিতরে পুণরায় বাহিনী গড়ে তুলতে শুরু করে উজ্জ্বল। সম্প্রতি সে এলাকায় ফিরে পূণরায় চাঁদাবাজী, লুটতরাজ শুরু করলে পুলিশ মঙ্গলবার তাকে আটক করে।

স্থানীয়রা জানায়, সাজ্জাদ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড এই উজ্জ্বল ভয়ংকর প্রকৃতির সন্ত্রাসী। সে নিরীহ গ্রামবাসীর উপর নানাভাবে অত্যাচার চালিয়ে আসছিলো। তার আটকের খবরে ভৈরব উত্তর জনপদে স্বস্তি ফিরেছে।